March 31, 2020

প্রণবের ছবি বিতর্ক নিয়ে ভারতের টেলিগ্রাফের রিপোর্ট। এখানে মাসুদা ভাট্টি যা বলেছেন তার অনুবাদ দিচ্ছি।

“(যারা প্রণবের সমালোচনা করছে) তাঁরা চিহ্নিত ভারত বিরোধী শক্তি এবং তাঁরা ভারত বিরোধিতার নামে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টির সুযোগ খুজতে থাকে। যেহেতু বছরের শেষে নির্বাচন আসছে তাই এই সমস্ত মানুষেরা তাঁদের বিএনপি ও জামাতে তাঁদের রাজনৈতিক প্রভুদের খুশী করার জন্য অতি মাত্রায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

মাসুদা জোর দিয়ে বলেন, পিনাকী সবচেয়ে সোচ্চার ভারত বিরোধী কণ্ঠ এবং তার পিছনে বিরোধী দলের সমর্থন আছে, যারা একটি হিন্দু নাম ব্যবহার করে নির্বাচনের আগে ভারত বিরোধী জিগির তুলতে চায়।”

কোন রাষ্টের শাসকগোষ্ঠীর নীতি, কর্মসূচি, কার্যক্রম বা অভিপ্রায়ের বিরোধিতা করলেই কেউ সংশ্লিষ্ট সেই রাষ্ট্র বা দেশের ‘বিরোধী’ হয়ে যায় না। এইটা অতি সাধারণ কান্ডজ্ঞান। মাসুদার রাজনীতির বোধ তো দুরে থাক, সেই সাধারণ কান্ডজ্ঞানের অভাব আছে।

আমি ‘ভারত বিরোধী’ নই; তবে বর্তমান ভারতের শাসকগোষ্ঠীর বিশেষ করে বাংলাদেশ নিয়ে বহু নীতি, কর্মসূচি, কার্যক্রম বা অভিপ্রায়ের তীব্র বিরোধিতা করি। অন্যদেরও বিরোধিতা করতে উৎসাহিত করি। ভারতেও বহু নাগরিক আছে যারা ভারত রাষ্ট্রের বহু নীতি-কর্মসূচির বিরুদ্ধে প্রতিমুহূর্তে লড়ছে এবং মরছে। ভারতের জনগণের সাথে আমাদের কোন শত্রুতা নাই।

যারা কথা বলতে গিয়ে রাষ্ট্র-দেশ-সমাজ-শাসকগোষ্ঠী-নাগরিক-জনগণ সবকিছুকে একাকার করে ফেলেন, তারা এখনো রাজনৈতিক দিক দিয়ে ‘শৈশবকাল’ অতিক্রম করতে পারেন নাই।

মাসুদা বলতে চায়, ভারত রাষ্ট্রের বাংলাদেশ বিরোধী নীতি, কর্মসূচি, কার্যক্রম বা অভিপ্রায়ের বিরোধিতা করাটাই সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি করার অপচেষ্টা।

ভারত রাষ্ট্রের সকল আগ্রাসী নীতিকে এরা হিন্দু বিরোধিতা বলে ভারতের গায়ে হিন্দু নামাবলীর বর্ম জড়ায়ে দিয়ে বৈধ করে দিতে চায়। তাঁদের খুব সমস্যা হয়ে গেছে আমার নামটা হিন্দু হওয়ায়।

এরা বাংলাদেশের শিবসেনা, এরা দিল্লির দালাল, এরা বাংলাদেশের শত্রু।

টেলিগ্রাফ এর মূল লিখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন

3 comments

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  • যখন কোটা সংস্কার আন্দোলনে দলীয় সন্ত্রাসীরা মেয়েদের যৌন হেনস্তা + রেইপ করার হুমকি দিয়েছিল তখন ভাট্টি, মুন্নি শাহারা কোথায় ছিল?

  • লক্ষনীয় প্রণিধানযোগ্য গুরুত্বপূর্ণ মূলকথা এই যে, পিলখানা হত্যাকাণ্ডে একটিও হিন্দু মরেনি, কিছুদিন আগে পুরাতন ঢাকার অগ্নিকাণ্ডে শতাধিক মৃত্যুর একটিও হিন্দু নেই। আলোচ্য বনানী অগ্নিকাণ্ডে যদিও মৃতের সংখ্যা সরকারি হিসেবে ২৫ জন জানা গিয়েছে, প্রকৃত সংখ্যা আরো বেশি। কিন্তু আশ্চর্যজনক বিষয় হল মৃতদের মধ্যে একটাও হিন্দু নেই। এর গোপন রহস্যটা কি ষড়যন্ত্রের আভাস দিচ্ছে না? এটাতো মনে হচ্ছে ৯/১১ এর টুইন টাওয়ারের আরেক উপাখ্যান, যেখানে একটা ইহুদিও মারা যায়নি। মনে করিয়ে দিচ্ছে কুখ্যাত রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত নোংরা সত্য ফলস্ ফ্ল্যাগ নাশকতা। https://theuglytruth.wordpress.com/2017/06/09/operation-gladio-and-the-false-flag-muslim-terror-hoax/
    কেননা ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ এর সাথে ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ এর খালাতো ভাই সম্পর্ক।
    আলোচ্য অগ্নিকাণ্ড সহ অতীতের অগ্নিকাণ্ড সমূহ আওয়ামী সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় সৃষ্ট ভারতীয় ‘র’ এর নাশকতার ইঙ্গিতবাহী এবং তাদের লাগামহীন দুর্নীতির ফলাফল। ঢাকা শহরে যে হারে বহুতল সুউচ্চ টাওয়ার নির্মিত হয়েছে সে হারে দুর্ঘটনা প্রতিরোধ সহ অগ্নিকাণ্ড নির্বাপক ব্যবস্থা তথা বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিসের যান্ত্রিক অবকাঠামো উন্নয়ন করা হয়নি এবং উপযোগী প্রশিক্ষণ সহ দক্ষ জনবল অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়নি। ফলে এসব বহুতল ভবনে অগ্নি নির্বাপনে অপর্যাপ্ত যান্ত্রিক ও জনবল অবকাঠামো দিয়ে অতিদ্রুত তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণে ফায়ার সার্ভিস পুরোপুরি ব্যর্থ, যার সম্পূর্ণ দায় দায়িত্ব সরকারি ব্যবস্থাপনার অবহেলা ও সীমাহীন দুর্নীতি পরায়নতা। বিশেষত বর্তমান অবৈধ আওয়ামী সরকার সদা চিন্তিত তাদের অনাগত ভবিষ্যতের স্থায়িত্ব নিয়ে, সে জন্য সুষ্ঠুভাবে দেশ পরিচালনায় তাদের আদৌ কোন মনোযোগ নেই বিধায় দেশে জরুরি ভিত্তিতে একটি বৈধ দায়িত্বশীল সরকার অপরিহার্য।

  • Love u man….you are a true Bangladeshi and a patriot, I have no doubt in my mind…and live longer mate…you can slap good 😀