Some waz speakers are promoting progressive thoughts, supporting social reforms

Featured Video Play Icon
Pinaki Bhattacharya

The so-called progressive class in Bangladesh has begun criticising the waz programmes which have been increasingly popular in the country. They try to tell people that Islamic leaders spread hatred and incite people to adopt militancy through the waz programmes.

There is no doubt that some waz programmes in Bangladesh spread religious animosity. However, there are many other Islamic leaders who in their waz programmes appear like progressive social reformers.

Here is a video clip from the waz of Mizanur Rahman Azhari. There is no doubt that he is the most popular Islamic speaker in Bangladesh now. If you listen to him you will understand how nicely he succeeds to spread the message of a progressive change among his followers.

“You should not view the gallery of anyone’s phone without his or her permission. Never try to see who or what someone is chatting with on Facebook Messenger. Do not check the e-mail inbox of others without them being aware of it. Do not read anyone’s personal letters without them knowing so. This is Islam.

“We have restricted Islam within namaaz (prayer), roza (ritual fasting), zikr (rhythmic repetition of the name of god) and beard. Everyone has the rights to privacy. Even a small child has the rights to privacy. So, don’t ask a child to take off his pants. His dignity is to be respected too. Everyone has the rights to privacy. So, you should not poke your nose into the personal issues of others.

“Many people have the bad habits of asking questions about others’ family or personal matters. They often ask others, ‘What job do you do?’, ‘is it a government or private job?’, ‘how much do you earn?’ or, how old are you?’. You should not ask such personal question to others.

“You should not ask a personal question like how much one earns or how old he or she is, during your first meeting with a person. You may perhaps ask this question to someone when the person has been close or intimate with you or has become your friend. You should not trouble anyone with such personal questions right at the beginning.”

Could we not use the positive power of waz to reform our society?

Click here to read the original Facebook post

বাংলাদেশে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠা ওয়াজ মাহফিল গুলো নিয়ে বাংলাদেশে তথাকথিত প্রগতিশীলদের সমালোচনা শুরু হয়েছে। তারা বলার চেষ্টা করে এই ওয়াজ মাহফিলগুলোতে সাম্প্রদায়িক ঘৃণা ছড়ানো হয়, হিংসা বা জঙ্গীবাদকে উদ্বুদ্ধ করা হয়।

এতে কোন সন্দেহ নেই কিছু কিছু ওয়াজে সাম্প্রদায়িক ঘৃণা ছড়ানো হয়। কিন্তু বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ওয়াজগুলোর বক্তাদের ওয়াজ শুনলে আমাদের অবশ্যই মনে হবে, উনারা সমাজের প্রগতিশীল সংস্কার করছেন।

আমি সাম্প্রতিক সময়ের জনপ্রিয়তম ওয়াজ বক্তা মিজানুর রহমান আজহারীর একটি ওয়াজের কিছু অংশ দিচ্ছি। আপনারা দেখুন, সমাজের যেই প্রগতিশীল পরিবর্তনের জন্য আমরা আকাঙ্খা করি সেই পরিবর্তনের বীজ কত সহজেই শ্রোতাদের মনে ঢুকিয়ে দিচ্ছেন বক্তা।

“কোনোদিন অনুমতি ছাড়া কারো মোবাইলের গ্যালারি চেক করবেন না। কখনো কারো ফেসবুকের ম্যাসেঞ্জারে কে কার সাথে চ্যাটিং করেছে তা দেখা যাবে না। কখনো অনুমতি ছাড়া কারো ই-মেলের ইনবক্স খুলে দেখা যাবে না। কখনো কারো অনুমতি ছাড়া কোনো ব্যক্তিগত চিঠি পড়া যাবে না। এটাই হলো ইসলাম।

“আমরা শুধু ইসলামকে নামাজ, রোজা, জিকির এবং দাড়ির মধ্যেই সীমাবদ্ধ করেছি। প্রত্যেকেরই একটা প্রাইভেসি (গোপনীয়তা) আছে। মানুষ ছোট হলেও তার একটা সম্মান আছে। এজন্য ছোট বাচ্চাদের কখনো প্যান্ট খুলতে বলবেন না। তারও সম্মান আছে। প্রত্যেকেরই একটা প্রাইভেসি আছে, তাই কেউ যেন কারো ব্যক্তিগত বিষয়ে নাক না গলায়।

“অনেকের বদ্ স্বভাব: পারিবারিক বিষয়ে, ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলে। জিজ্ঞেস করে ‘ভাই কি চাকরি করেন?’, ‘সরকারি না বেসরকারি?’ ‘বেতন কত পান?’ মানুষ একটা দেখলেই জিজ্ঞাসা করেন ‘ভাই বয়স কত?’, ‘ভাই বেতন কত?’ এটা করা যাবে না।

প্রথম দেখাতে কাউকে বয়স কত, বেতন কত ইত্যাদি জিজ্ঞেস করা যাবে না। যখন কেউ ঘনিষ্ঠ হয়, বন্ধুতে রূপান্তরিত হয় তখনই কেবল এসব প্রশ্ন করা যাবে। শুরুতেই কারো ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে খোঁচাখুঁচি করা যাবে না।”

আমরা কি ওয়াজের এই ইতিবাচক শক্তিকে সমাজ পরিবর্তনের কাজে লাগাবো না?

লেখাটির ফেইসবুক ভার্সন পড়তে চাইলে এইখানে ক্লিক করুন

Print Friendly, PDF & Email
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Comment