Leader of young women’s wing of ruling Awami League caught running a secret escort service

She is Shamima Noor Papia, alias Piu. She is a senior leader of Jubo Mahila League, the female youth wing of the ruling Awami League party in Bangladesh. In one photo she is shaking hand with the President of Bangladesh, in a state function. In the other, she is sitting in a commanding posture with a stick in his hand, ready to beat up or force unwilling girls to sexually entertain her clients – exactly the way we see the brothel runners torture girls in the Bollywood movies.

It has now been revealed that this woman ran an escort service. In recent weeks the presidential suite of a five-star hotel in Dhaka was her base from where she operated. She paid 13 million takas (US$ 1,53,000) as the suite rent for three months, it has come to light. It is easy to imagine that she was running a roaring business. She promised girls to get good jobs; but after bringing them to Dhaka she used to force them into the sex trade and entertain her high profile clients. Using her mafia or yakuza-like gang, she extorted money from businesses and ran illicit drug and arms trade. All members of her gang carried special identification tattoo on their hands, investigators have reported.

It has been reported in the media that the security personnel recovered video clips of intimate sex scenes of many powerful and rich people from Papia, after arresting her.

We have seen in the past how the members of Jubo League, the youth wing of Awami League, openly ran casinos in Bangladesh. Papia also ran her sex trade openly, under the patronage of the ruling party. However, the government has cracked down on Papia now. I am sure many are eager to know why she has faced the crackdown now. It has been reported by some sources that she secretly recorded the private activities of some high profile personalities of the ruling party, who availed her escort service. She is facing punishment after this fact somehow came to the notice of the people in the higher echelons of the politicians in power.

Papia is the general secretary of Jubo Mahila League in Narsingdi district. She often introduced herself as a central leader of her party. The selection of the senior-most leaders of the ruling party and its other wings, including Jubo Mahila League always takes place following the direct approval of Sheikh Hasina. We knew from the media reports that before some are chosen for such political posts their backgrounds are verified by the intelligence agencies. Before picking up the leaders for the posts, Sheikh Hasina looks into the intelligence reports.

Unfortunately, I happened to take part in some state programmes in the past. I found that all guests who were invited to the programmes had been scrutinised thoroughly by the intelligence people for months before they participated in the programmes.

I am sure, such scrutiny had been conducted in the case of Papia too, before she was chosen to head the Jubo Mahila League in Narsingdi district. I am also dead sure that the ruling party and the intelligence agencies certainly knew about the activities of Papia.

Sheikh Hasina has established a mafia nation in this style. She allows members of her party to indulge in all sorts of nefarious activities and retains their evidence, often secretly. Then she uses such evidence to blackmail those people who finally end up working as her slaves. Sheikh Hasina has raised many such largely criminal gangs. She uses them to serve her political interest and run her massively unpopular government.

Such gangs were put to use widely in the run-up to the last general election in 2018, to violently force the opposition party election candidates stay away from electioneering. We all know how the gangs were used again to intimidate the opposition party supporters and massively rig the election in favour of Awami League.

Sheikh Hasina resorts to all these tricks to maintain unity in the party and stay on in power.

Click here to read the original Facebook post

দুটো একই মহিলার ছবি, নাম শামিমা নূর পাপিয়া, ওরফে পিউ। তিনি শাসক দল আওয়ামী লীগের যুব সংগঠন যুবলীগের উচ্চ পর্যায়ের নেত্রী।

একটা ছবিতে তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির সাথে রাষ্ট্রিয় অনুষ্ঠানে করমর্দনরত। আর একটা ছবিতে এই নেত্রীকে মোটা হান্টার হাতে যৌন কর্মে অনিচ্ছুক নারীদের যৌন কর্মে লিপ্ত হতে বাধ্য করার জন্য তিনি যেভাবে ভয় দেখান সেই বেশে দেখা যাচ্ছে- একেবারে বলিউডি ফিল্মে কোঠাওয়ালীরা যেভাবে দাপট দেখিয়ে জুলুম করে তাদের অধীনে মেয়েদের উপর, সেই স্টাইলে।

এখন জানা যাচ্ছে, এই নেত্রী প্রকাশ্যেই একটি এসকর্ট সার্ভিস চালাচ্ছিলেন। ঢাকা শহরে নামী পাঁচ তারা হোটেলের প্রেসিডেনশিয়াল স্যুইট স্থায়ীভাবে ভাড়া নিয়ে তিনি এই ব্যবসা চালাচ্ছিলেন। তিন মাসের স্যুইট ভাড়া মিটিয়েছেন এক কোটি তিরিশ লক্ষ টাকা দিয়ে। এতেই বোঝা যায় কি রকম রমরমিয়ে নেত্রীর এসকর্ট ব্যবসা চলছিলো৷

মিডিয়া রিপোর্টে এসেছে যে পাপিয়াকে অ্যারেস্ট করার পর তার কাছ থেকে গোপন ক্যামেরায় ধারণকৃত অনেক প্রভাবশালী ও ধনী ব্যক্তির অন্তরঙ্গ দৃশ্যের ভিডিও ক্লিপ উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি ভালো চাকরী দেয়ার লোভ দেখিয়ে মেয়েদের দূর থেকে এনে তাদের যৌন কর্মে লিপ্ত হতে বাধ্য করতেন, জানা গিয়েছে। পাপিয়ার বিশেষ বাহিনী মাফিয়া বা ইয়াকুজা স্টাইলে চাঁদাবাজি, মাসোহারা আদায়, অস্ত্র ও মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ করতো। তার বাহিনীর এইসব প্রত্যেক সদস্যের হাতে বিশেষ ট্যাটু (tattoo)ও আঁকা থাকত, তদন্তকারীরা জানিয়েছে।

এর আগেও আমরা দেখেছি যুবলীগের সদস্যদের প্রকাশ্যেই অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসা। পাপিয়াকে র‍্যাব গ্রেপ্তার করেছে। কেন করলো? কথিত আছে উনার সার্ভিস নেয়া শাসক দলের কোন কোন হাই প্রোফাইল ব্যক্তিত্বের কর্মকাণ্ড উনি গোপন ভিডিওতে ধারণ করে তাদের ব্ল্যাকমেইল করতেন বলেই তাকে এই শাস্তি দেয়া হচ্ছে।

পাপিয়া নরসিংদী জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাাদক। তিনি নিজেকে কেন্দ্রীয় নেত্রী হিসেবেও পরিচয় দিতেন। শাসক দলের ও তার অঙ্গ সংঠনের একটা জেলার সভাপতি সাধারণ সম্পাদক কে হবে তা হাসিনার প্রত্যক্ষ অনুমোদনেই নির্ধারিত হয়। হাসিনা এই পদ প্রদানের আগে হাসিনা কয়েকটা গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্ট দেখে সিদ্ধান্ত নেন বলে আমরা আগেই পত্রিকা মারফত জানতে পেরেছি।

ব্যক্তিগতভাবে আমার কয়েকটা রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার দুর্ভাগ্য হয়েছিলো। সেখানে আমন্ত্রিত অতিথিদের কয়েকটা গোয়েন্দা সংস্থা কয়েক মাস ধরে স্ক্রুটিনি করে। আমন্ত্রিত অতিথিদের তালিকা কয়েক মাস আগেই গোয়েন্দা সংস্থার স্ক্রুটিনির জন্য দিতে হয়।

এমন স্ক্রুটিনি নিশ্চয়ই এই শামিমা পাপিয়ার জন্য আগে একাধিকবার করা হয়েছে। এই পাপিয়া কী কাজ করতো সেটা শাসক দলের এবং তার গোয়েন্দা সংস্থার না জানার কথা নয়।

শেখ হাসিনা এভাবেই বাংলাদেশে মাফিয়া রাষ্ট্র কায়েম করেছে। সে অবাধে অপরাধ দুর্নীতি করতে দেয় তার দলের লোকদের তারপরে সেই দুর্নীতি আর অপরাধের প্রমাণ হাতে রেখে অসীম আনুগত্য আদায় করে। সে কার্যত তার দলের লোকদের দাস বানিয়ে ফেলে।

শেখ হাসিনা এইভাবেই অনেক অপরাধীদের গ্যাং তৈরী করেছে যারা বিভিন্নভাবে তাঁর অজনপ্রিয় সরকারকে ক্ষমতায় আসতে বা টিকে থাকতে সাহায্য করে। তিনি পুলিশসহ অন্যান্য সিকিউরিটি এজেন্সি এবং এইসব গ্যাংয়ের সদস্যদের সাহায্যে ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে বিরোধী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে হিংস্র আক্রমণ করিয়ে তাদের ক্যাম্পেইনই করতে দেননি অনেক ক্ষেত্রে। তারপর ভোটের সময় এই সব গ্যাংয়ের সদস্যরা অনেক বিরোধী প্রার্থীদের ভয় দেখিয়ে ভোটই দিতে দেয়নি। আর, আমরা তো জানিই কিভাবে সরকারী এজেন্সি ও অপরাধী গ্যাংয়ের সাহায্য নিয়ে সেই নির্বাচনে দেশজুড়ে জালিয়াতি করে শেখ হাসিনা সরকার গঠন করেছিলেন।

এটাই শেখ হাসিনার দলের ঐক্য ধরে রাখা ও সরকারে টিকে থাকার ফর্মুলা।

লেখাটির ফেইসবুক ভার্সন পড়তে চাইলে এইখানে ক্লিক করুন

Share

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Feeling social? comment with facebook here!

Subscribe to
Newsletter