If you are with Awami League, you are above the law and will enjoy impunity

Naimul Abrar died after being electrocuted at the ground of Residential School and College in Dhaka where Kishor Alo magazine was holding its anniversary programme on November 1 last year. Kishor Alo is published by the Prothom Alo, Bangladesh’s largest circulated Bengali language national newspaper. On November 6, 2019, Naimul’s father filed a suit in the court of the Chief Metropolitan Magistrate in Dhaka complaining of the death. On January 16, police filed its inquiry report against 10 persons, including the editors of the Prothom Alo and Kishor Alo.

After the hearing of the charge sheet was over, on October 13, eight of the accused, including the editors of the Prothom Alo and Kishor Alo, appealed for exemption from the case. However, on November 12, the court framed charges against the nine accused, including the Prothom Alo editor Matiur Rahman.

The Prothom Alo editor was not present around the ground the day Naimul was electrocuted. But Anisul Haque, the editor of Kishor Alo, was present on the spot. After Naimul was electrocuted, Haque sent him to a far-off hospital that sponsored Kishor Alo’s anniversary programme, instead of sending him to a nearby hospital. It was also accused that the organisers delayed inordinately in sending Naimul to the hospital. In social media, many expressed outrage because the organizers kept running the programme even after they got the information that Naimul was dead. Local media reports then blamed Anisul Haque for Naimul’s death.

Police filed charge-sheet against ten persons identifying all of them as accused. But the court framed charges against nine, excluding one of them. The court dropped the charges against Kishor Alo editor Anisul Haque, the key organiser of the anniversary programme, who was present on the spot when Naimul was electrocuted.

The court did not exempt Matiur Rahman, editor of the Prothom Alo, from the case. But it dropped all charges against Anisul Haque who was clearly responsible for the mismanagement of the November 1 programme last year.

I guess, the court exempted Haque from the case because he was a pro-Awami League Jatiya Chhatraleague activist when he was a student at Bangladesh University of Engineering and Technology (BUET). Jatiya Chhatraleague was the student wing of Sheikh’s Mujib’s BaKSAL. It was re-organised under the leadership of Abdur Rajjak and later it became part of Awami League which is the ruling party in Bangladesh now. It’s known to everyone in Bangladesh that none connected to Awami League will face any punishment, whatever crime the person commits. As the Bengali proverb goes, he will be forgiven even if he commits seven murders. One Naimul is killed. Haque is free to kill or help kill six others and will never face any punishment.

During the British era, the European indigo planters could kill up to seven Indians without being prosecuted or punished. This law was introduced to crack down on the movement of the indigo farmers, who revolted against the European planters. This was the first indemnity given to the European indigo planters in the region against crime as serious as murder. Awami League activists and leaders are the new age indigo planters who are given indemnity for whatever crime they commit in Bangladesh now. The Europeans cultivated indigo. These Awami League people cultivate and sell the spirit of the Liberation War to run a fascist regime in Bangladesh.

Click here to read the original Facebook post

গত বছরের ১ নভেম্বর ঢাকার রেসিডেনসিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে কিশোর আলোর বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠান ছিল। সেদিন মাঠে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যায় নাইমুল আবরার। এ ঘটনায় নাইমুলের বাবা মজিবুর রহমান গত বছরের ৬ নভেম্বর ঢাকার সিএমএম আদালতে নালিশি মামলা করেন। এরপর চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি প্রথম আলো সম্পাদক, কিশোর আলো সম্পাদকসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয় পুলিশ।

১৩ অক্টোবর অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষ হলে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে প্রথম আলো, কিশোর আলোর সম্পাদকসহ আটজনের অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করা হয়।

প্রথম আলোর সহযোগী প্রতিষ্ঠান হচ্ছে কিশোর আলো। সেই মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় গত ১২ নভেম্বর বৃহস্পতিবার প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে আদালত।

যেদিনকার ঘটনায় এই মামলা, সেদিন প্রথম আলোর সম্পাদক ঘটনাস্থলে উপস্থিতই ছিলেন না। উপস্থিত ছিলেন কিশোর আলোর সম্পাদক আনিসুল হক। আনিসুল হকই নাইমুল আবরারকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হবার পরে কাছের হাসপাতালে না পাঠিয়ে দূরে অনুষ্ঠানের স্পন্সর হাসপাতালে পাঠায়। অভিযোগ, আছে নাইমুল আবরারকে হাসপাতালে পাঠাতেও আয়োজকেরা দেরী করেন। শুধু তাই নয় আবরারের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত হওয়ার পরেও অনুষ্ঠানটি চলতে থাকায় সেই সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন অনেকেই। সেইসময়ের পত্রিকাগুলোর সংবাদে চোখ বুলালেও দেখা যাবে অভিযোগের আঙ্গুল সবাই আনিসুল হকের দিকেই তুলেছিলো।

পুলিশ যে দশজনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয় আদালত তার মধ্যে থেকে একজনকে বাদ দিয়ে অভিযোগ গঠন করে। সেই একজন কে? সেই একজন হচ্ছে কিশোর আলোর সম্পাদক ওই অনুষ্ঠানের আয়োজক ও সেইদিন অনুষ্ঠান স্থলে উপস্থিত আনিসুল হক।

প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান অব্যাহতি পেলেন না কিন্তু যিনি এই ঘটনার সাথে যুক্ত ছিলেন, যিনি সেই অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিলেন এবং অব্যস্থাপনার পূর্ণ দায় যার সেই আনিসুল হক ঠিকই অব্যাহতি পেলেন।

আনিসুল হকের অব্যাহতির কারণ কী ? এর কারণ একটাই হতে পারে, সেটা হচ্ছে আনিসুল হক ছাত্র জীবনে আওয়ামী রাজনীতি করতেন। বুয়েটে পড়ার সময়ে তিনি জাতীয় ছাত্রলীগ করতেন। জাতীয় ছাত্রলীগ ছিলো শেখ মুজিবের বাকশালের ছাত্র সংগঠন যা আব্দুর রাজ্জকের নেতৃত্বে পুনর্গঠিত হয় এবং আওয়ামী লীগের পাশাপাশিই রাজনীতি করতে থাকে। যা পরে আওয়ামী লীগের সঙ্গে একীভূত হয়। আর কে না জানে, আওয়ামী লীগের এই পরিচয় থাকলে সাত খুন মাফ। নাইমুল আবরারের মৃত্যু তো মাত্র একটা জীবন। আনিসুল হকের মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়ার কোটা এখনো পূর্ণ, আরো ছয়টা প্রাণ তিনি অনায়াসেই নিতে পারবেন বা নেবার জন্য সাহায্য করতে পারবেন।

বৃটিশ আমলে একটা আইন ছিলো, তা হচ্ছে নীলকরেরা আত্মরক্ষার জন্য সাতটা পর্যন্ত মানুষ খুন করলেও তাদের কোন বিচারের মুখোমুখি হতে হবেনা। নীল চাষের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠে কৃষক আন্দোলনকে দমন করতে আর নীলকরদের নীলকুঠির উপরে আক্রমণ ঠেকাতে এই নজিরবিহীন আইন করা হয়েছিলো। এটাকে এই অঞ্চলে দেয়া প্রথম ইনডেমনিটি বলা যেতে পারে। এই থেকেই সাত খুন মাফ বাগধারাটা এসেছে। আওয়ামী লীগারেরা নব্য নীলকর। উনারা অবশ্য নীলের বদলে আজকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার চাষ করেন। সেই চেতনা বিক্রি করেই আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদী শাসন চালায়।

লেখাটির ফেইসবুক ভার্সন পড়তে চাইলে এইখানে ক্লিক করুন

Share

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Feeling social? comment with facebook here!

Subscribe to
Newsletter