After blinding BNP activist police sue her for violence

Mary went out on an election campaign accompanying the opposition BNP candidate of Sirajganj-2 Rumana Mahmood on December 14 when everything around the opposition party worker went dark. When they were preparing to go out on the electioneering from their party office some ruling Awami League party goons arrived there and attacked the BNP party leaders and workers. Policemen, who were present on the spot, began caning the BNP group, instead of acting against the armed ruling party men. At one point, police began firing upon the BNP leaders and workers. Several BNP leaders and workers were hit by pellets fired by police. Both eyes of Mary were hit by pellets and she turned blind.

While the policemen who blinded Mary remain unpunished, the woman herself has been slapped with a case for “violently attacking police”. Poor Mary cannot see with her eyes, but she has been dragged to the court where she is seeking bail in the case. Mary became a victim of police brutality. Now, police are targeting her again in a vengeful case.

Top police officers would have come over to Mary begging forgiveness for the firing, had the incident taken place in a civilized nation. Even the court would have asked the state to compensate Mary in ways as best as possible. But, in Bangladesh, now we see the woman being harassed in a bogus case filed by police who blinded her.

Click here to read the original Facebook post

বিএনপি কর্মী সিরাজগঞ্জের মেরী সিরাজগঞ্জ-২ আসনের বিএনপি প্রার্থী রুমানা মাহমুদের নির্বাচনী প্রচারণায় গিয়েছিলেন গত বছর ১৪ই ডিসেম্বরে। সে দিন সন্ধ্যায় দলীয় কার্যালয়ে অবস্থানের সময় কয়েকটি মোটরসাইকেলে এসে তাদের ওপর হামলা করে আওয়ামী লীগের গুণ্ডারা। গুণ্ডাদের কিছু না বললেও পুলিশ এসে উল্টো বিএনপি কর্মীদের ওপর লাঠিচার্জ শুরু করে। একপর্যায়ে গুলি করে। মেরীর দুই চোখে তিনটি স্প্লিন্টার বিদ্ধ হয়। এবং তার দুই চোখই অন্ধ হয়ে যায়।

যেই পুলিশের বর্বর আক্রমণে মেরী চোখ হারালো তার কোন বিচার হয়নি অথচ পুলিশ তাদের হামলায় চোখ হারানো মেরীর বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। অসহায় মেরীর চোখে আলো নেই তবুও তাকে আদালতের বারান্দায় জামিনের জন্য বসে থাকতে হয়।

বাংলাদেশের পুলিশ যাকে নির্যাতন করেছে তার নামেই মামলা দিয়ে তার বিরুদ্ধে কি প্রতিহিংসা বাস্তবায়ন করছে? সভ্য দেশে এমন ঘটনা ঘটলে মেরীর কাছে পুলিশের উর্ধতন কর্তারা এসে ক্ষমা চাইতো, মেরীকে ক্ষতিপুরণ দিতে রাষ্ট্রকে বাধ্য করতো আদালত। অথচ আজ মেরীই আলোহীন চোখে ধুঁকতে ধুঁকতে মিথ্যা মামলার ঘানি টেনে যাবে আদালতের বারান্দায় বারান্দায় ঘুরে।

লেখাটির ফেইসবুক ভার্সন পড়তে চাইলে এইখানে ক্লিক করুন


Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Feeling social? comment with facebook here!

Subscribe to