Asif Mohiuddin continues anti-Islam hate campaign

Featured Video Play Icon
Pinaki Bhattacharya

Asif Mohiuddin lives in Germany after he was granted political asylum in the country. It was the human rights organization Amnesty International that helped him secure the political asylum Germany. An organization called Hamburger Stiftung provided him a shelter and stipend for one year.

Asif Mohiuddin somehow escaped a fatal machete attack in Bangladesh. So, these organizations came forward to help him. Asif introduces himself as an atheist and insists that he faces serious threats for his atheism-related activities. Since Asif speaks and writes only in Bengali the originations that stood by him do not happen to know what exactly he is writing about.

Asif is an Islamophobe. In this video he says, he hates Islam. He said this last month (September), while he was in Germany. Can he declare that he hates Christianity or Judaism while living in Germany?

On April 15, 2010, the United Nations Human Rights Council (UNHRC) announced that it would work to devise strategies to fight abuses of religions. On March 21, 2011, the UN body adopted a unanimous resolution to fight abuses of religions on a specific strategy.

According to UNHRC, abuse of a religion, including the slandering of a religious character, amounts to an act of human rights violation. Very interestingly, in the seventh clause of the UNHRC resolution it was noted that Muslims and Islam are being wrongly or unfairly connected to terrorism and human rights violations. The UN body expressed deep concerns over the attacks against Muslims and Islam. Bangladesh is a signatory to that UNHRC resolution.

So-called atheist Asif Mohiuddin is a psychopath. In his free style he keeps abusing Islam. This amounts to human rights violation. Will Amnesty International and Hamburger Stiftung take its responsibility as he spreads hatred against Islam by using German taxpayers’ money?

Click here to read the original Facebook post

আসিফ মহিউদ্দিন জার্মানিতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছে। আসিফকে জার্মানিতে নিয়ে গেছিলো মানবাধিকার সংগঠন এমনেস্টি ইন্টারন্যাশন্যাল এবং তাকে একবছর জার্মানিতে আশ্রয় ও ভাতা দিয়েছিলো হাম্বুর্গ স্টিফস্টুং বলে একটা সংগঠন। আসিফ মহিউদ্দিন চাপাতির কোপ খেয়ে মরতে মরতে বেচে এসেছিলো জন্য এইসব সংগঠন তার পাশে দাড়িয়েছিলো। আসিফ নিজেকে নাস্তিক বলে পরিচয় দেয় এবং বলে নাস্তিকতার চর্চার জন্য সে বিপদে আছে। কিন্তু আসিফ যেহেতু বাংলায় লিখে ও কথা বলে তাই এসব সংগঠন কখনো দেখতে পারেনি আসিফ আসলে কী লিখে বা বলে।

আসিফ একজন ইসলামোফোব। সে নিজেই এই ভিডিওতে বলছে সে একজন ইসলাম বিদ্বেষী। এই কথাটা বলছে সে গত সেপ্টেম্বর মাসে জার্মানিতে বসে। সে কি জার্মানিতে বসে বলতে পারবে, যে সে খ্রিস্টান বিদ্বেষি বা জুডাডাইজম বিদ্বেষি?

জাতিসংঘের হিউমান রাইটস কাউন্সিল ১৫ই এপ্রিল ২০১০ সালে বিরুদ্ধে কীভাবে লড়া যায় সে বিষয়ে কয়েকটি সুনির্দিস্ট সিদ্ধান্ত গ্রহন করে। ২০১১ সালের ২১শে মার্চ সর্বসন্মতভাবে সেই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

জাতিসংঘের হিউম্যান রাইটস কাউন্সিলের মতে ধর্ম অবমাননা একটি মানবাধিকার লঙ্ঘনের অপরাধ। ধর্মীয় চরিত্রের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা একটি মানবাধিকার বিরোধী কাজ। খুব কৌতুহলউদ্দীপক যে ৭ নম্বর সিদ্ধান্তে বলা হচ্ছে, ইসলাম এবং মুসলমানদের ভুলভাবে বারেবারে মানবাধিকার লঙ্ঘনের এবং সন্ত্রাসবাদের সাথে যুক্ত করে প্রচারণা চালানো হচ্ছে ফলে মুসলমান সম্প্রদায় ও ইসলাম ধর্মকে কলংকিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে; হিউম্যান রাইটস কাউন্সিল এই প্রবণতার বিরুদ্ধে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে। এই রেজুলুশনে বাংলাদেশ সাক্ষর করেছে।

আসিফ মহিউদ্দিন নামের সো কল্ড নাস্তিক যে কিনা আদতে একজন মানসিক রোগগ্রস্থ, সে ফ্রি স্টাইলে ধর্ম অবমাননা ও ইসলাম বিদ্বেষ চালিয়ে গেছে, এটা মানবাধিকার লঙ্ঘন।

এমনেস্টি ইন্তারন্যাশন্যাল, হামবুর্গ স্টিফটুং আর জার্মান সরকার কি জার্মান জনগনের ট্যাক্সের টাকায় এভাবে ইসলাম বিদ্বেষ ছড়ানোর কাজ করতে দেয়ার দায় নেবে?

লেখাটির ফেইসবুক ভার্সন পড়তে চাইলে এইখানে ক্লিক করুন

Print Friendly, PDF & Email
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Comment