Awami League activists began indulging in rape right after Bangladesh was born

Recently allegations of rape are surfacing in huge number against the leaders and workers of Awami League, Bangladesh’s ruling party. If we take a look at history, we will find that right after the Liberation War many incidents of rape took place in the country in an unprecedented style and in almost all cases Awami League party workers were involved. Awami League did not form any national government after

In Independent Bangladesh, Awami League pushed terror and persecution to a new height.

Towards the end of the Liberation War, Mujib Bahinee entered Chittagong Hill Tract (CHT) along with India’s Special Frontier Force. A group from Chakma tribe went to greet the forces in a traditional style, along with a goat as a gift. The forces accepted the goat, but killed all the Chakmas who went to greet them. Then the forces pounced on the villages of Panchhari in CHT. They looted the houses of the tribal people and set them on fire. They also killed the people indiscriminately and raped many women. At least 32 tribal people were killed by the forces in just one day. While moving from Panchhari to Khagrachhari the forces set fire to 176 houses. On December 14, they killed at least 22 people. There is no authentic info about which force exactly committed the violence. But we know that Mujib Bahinee was present with the Indian forces when the violence was unleashed in CHT. So, Mujib Bahinee cannot avoid liability of the killings, rapes, loots and arson that took place in CHT then.

On December 16, 1971, independent Bangladesh was born. But the same day, Bihari Muslims, who had supported the Pakistani forces during the war, became victims of killing, rape and other forms of violence in 110 towns and cities across the country. Some Bengali families provided shelter to the Bihari Muslims. Yet they could not save the lives of the Urdu-speaking Biharis. Awami League tarnished the glory of the victory of the Liberation War this way.

The law and order situation worsened and morality of people touched a new low across independent Bangladesh. Around the midnight of 21 February, 1973, when people gathered at Shaheed Minar in Dhaka and were busy paying tribute to the language martyrs, Awami goons pounced on the women there. They abducted two young women from the site. After raping them, they brought the two unconscious women to a hospital. In independent Bangladesh the Awami League workers introduced the culture of rape in this style.

February 22, 1973 was a newspaper holiday. Let me quote verbatim what Bengali language national daily Ittefaq reported on February 23, 1973:

February 21, 1973. People of all ages from across the capital gathered at Shaheed Minar with a sacred mind and feeling to pay their best respect on the Martyrs’ Day and celebrate it. But some heinous activities of a group of unruly youth have shocked everyone and desecrated the holy place of Shaheed Minar, apart from sullying the auspicious day of February 21. The roguish youth attacked the women and molested many of them. Two young women were ‘hijacked’ from the spot, before they were tortured and humiliated (raped) and brought to a hospital in a half-conscious condition. Everyone is asking one question: what is the use of celebrating the Martyrs’ Day when the law and order, decency and civility are under the grip of some youth, and instead of offering prayer at the foot of the sacred monument they are indulging in dirty activities?”

The cases of torture of the women at Shaheed Minar were never investigated because everyone was too scared to make any complaint. The culprits, who were from Awami League, threatened to chop off tongues of people if they complained or raised their voices against the torture.

After the Liberation War was over, Rakkhi Bahinee, which consisted of men mostly from Mujib Bahinee, got involved in the rape and other forms of torture. They would impose curfew and surrounded the villages before raiding there for weapons, ‘miscreants’ and their political opponents. During the process, they killed and raped villagers, apart from looting the villages.

Former AIG of police Shaffiqul Islam had been an OC of a police station during the regime of Sheikh Mujib. He wrote a book in which he documented how the Awami League workers indulged in rape and torture targeting the minority Hindus. It’s worth noting that Mr Islam was a Muktijoddha or Liberation War fighter.

In his book “Bangladesh: A Legacy of Blood”, Anthony Mascarenhas cited the case of a gang-rape by an Awami League leader that he believed was the cause of the utter discontent against Sheikh Mujib. A gang led by an Awami League leader, identified by Mascarenhas as Tongi Awami League chairman Muzamil, abducted gang raped and killed a bride, after murdering the bridegroom and their driver. Major Nasser, who commanded a squadron of the Bengal Lancers, detained Muzamil for the crime and handed him over to police. However, police did not take any action against the Awami leader and let him go away. Then many believed, Mascarenhas wrote, police released Muzamil following the intervention by Sheikh Mujib. In his novel “Deyal”, Humayun Ahmed described this incident.

Following the legacy of Muzamil, Manik, a Chhatraleague leader of Jahangirnagar University, celebrated his ‘feat’ of raping one hundred women in a grand style.

Muzamil is still in power as a key Awami League leader. Those who were rapists during the regime of Sheikh Mujib continue to be powerful in the regime of Sheikh Hasina. Awami goons are raping women in the same style as they did during the regime of Sheikh Mujib. Rape has long happened to be a key part of the legacy of Awami League. So rapists are in plenty in the country during the current Awami regime. In fact, rapists get good refuge in this party which is ruling Bangladesh now.

Click here to read the original Facebook post

সাম্প্রতিক সময়ে আওয়ামি লীগের নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে পাইকারিহারে ধর্ষণের অভিযোগ আসছে। আমরা যদি ইতিহাস দেখি তাহলে দেখবো মুক্তিযুদ্ধের পর থেকেই এই ভূখণ্ডের ইতিহাসে ঘটেনি এমন সব ধর্ষণের ঘটনা এই আওয়ামী লীগের হাতেই ঘটতে থাকে। মুক্তিযুদ্ধের মতো এক মহান গণযুদ্ধের পরেও আওয়ামী লীগ কোন জাতীয় সরকার গঠন না করে পাকিস্তনানের জাতীয় পরিষদের জন্য যারা নির্বাচিত হয়েছিলো তাদের দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার গঠন করে মুক্তিযুদ্ধের সমস্ত অর্জনকে একে একে এভাবেই ধ্বংস করে দিয়ে এক জাহেলিয়াত প্রতিষ্ঠা করে। শুধু তাই নয় স্বাধীন দেশে আওয়ামী সন্ত্রাস আর নিপীড়ন এক নতুন মাত্রা পায়।

মুক্তিযুদ্ধের শেষদিকে ভারতের স্পেশ্যাল ফ্রন্টিয়ার ফোর্সের সাথে মুজিব বাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামে ঢোকে। ভারতের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন সীমান্ত পথে ‘মুজিব বাহিনী’র সদস্য ও ‘স্পেশাল ফ্রন্টিয়ার ফোর্স’-এর সদস্যরা ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামের পানছড়িতে প্রবেশ করে। একদল চাকমা তাদের অভ্যর্থনা জানাতে যায়। এদের জন্য তারা একটি খাসিও সঙ্গে নিয়েছিল। ‘মুজিববাহিনী’ ও ‘স্পেশাল ফ্রন্টিয়ার ফোর্স’-এর এই সদস্যরা খাসিটি নিলেও অভ্যর্থনাকারী সবাইকে হত্যা করে। এরপর তারা পানছড়ির পাহাড়ি গ্রামগুলোতে হামলা শুরু করে। বাড়িঘরে লুটপাট চালায় এবং আগুন লাগিয়ে দেয়। সামনে যাকে পায় তাকেই হত্যা করে এবং মেয়েদের ধর্ষণ করে। তাদের হামলায় সেদিন পানছড়িতেই ৩২ জন নিহত হয়। পানছড়ি থেকে খাগড়াছড়ি যাওয়ার পথে তারা ১৭৬টি বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয়। ১৪ ডিসেম্বরও তারা ২২ জনকে হত্যা করে। এই নির্মম অত্যাচারের সময় ভারতের সেনাবাহিনীর সাথে পার্বত্য চট্টগ্রামে ঢোকা মুজিব বাহিনীর উপস্থিতি ছিলো। কে কতটুকু করেছে সে সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য না থাকলেও মুজিব বাহিনী এই হত্যা লুটপাট, অগ্নি সংযোগ ও ধর্ষণের ঘটনার দায় এড়াতে
পারেনা।

১৯৭১ এর ১৬ ডিসেম্বর আমরা যুদ্ধে জিতে স্বাধীন দেশ পেলেও ওই একই দিনে পাকিস্তানের পক্ষাবলম্বনকারী সংখ্যালঘু বিহারি সম্প্রদায়ের উপরে ঘটলো ১১০টি শহরে পরিকল্পিতভাবে হত্যা, ধর্ষণ আর তাদের সহায়-সম্পদ লুণ্ঠনের ঘটনা। অনেক বাঙালি পরিবার কিছু ভীত-বিহ্বল আর পলায়নপর অবাঙালিকে আশ্রয় দিয়েও অসংখ্য উর্দুভাষীর নির্মম হত্যা-মৃত্যুকে রুখতে পারেনি। বিজয়ের গৌরব এভাবেই আওয়ামী লীগ কলংকিত করেছিলো।

তারপর স্বাধীন দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং গণনৈতিকতার এমন অধঃপতন ঘটে যে, ১৯৭৩-এর ২১ ফেব্রুয়ারির মধ্যরাতে যখন সকলে শহিদ মিনারে সমবেত হয়ে ভাষা শহিদদের শ্রদ্ধা জানাচ্ছিলেন তখন আওয়ামী গুণ্ডারা মহিলাদের ওপর বারবার হামলা চালায় এবং দু’জন তরুণীকে শহিদ মিনারের পাদদেশ থেকে হাইজ্যাক করে ধর্ষণ করার পর অর্ধচেতন অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসে। স্বাধীন দেশে শহীদ মিনারে এভাবেই আওয়ামী কর্মীরা প্রথম ধর্ষণ করে।

সেদিন ছুটি থাকায় ২৩ ফেব্রুয়ারিতে ইত্তেফাকে প্রথম পৃষ্ঠায় যে রিপোর্ট হয় তা পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরছিঃ

একুশে ফেব্রুয়ারি, ‘৭৩ সাল। যে শ্রদ্ধা, যে পূত-পবিত্র অনুভূতি, মন লইয়া রাজধানীর আবালবৃদ্ধবণিতা শহিদ মিনারে সেই দিন সমবেত হইয়াছিল, এক শ্রেণীর উচ্ছৃংখল তরুণের জঘন্য কার্যকলাপ শুধু সেই মনকে ভারাক্রান্তই করে নাই শহিদ মিনারের পবিত্র বেদীকে, অমর একুশের পুণ্যময় স্মৃতি দিবসকে মসিলিপ্ত করিয়াছে। মেয়েদের ওপর বারবার হামলা হইয়াছে, অনেক মহিলার নিরাপত্তা, সম্ভ্রম ও ইজ্জত বিনষ্ট হইয়াছে, দুইটি তরুণীকে শহিদ মিনারের পাদদেশ হইতে ‘হাইজ্যাক’ করিয়া লাঞ্ছিত করার পর অর্ধচেতন অবস্থায় হাসপাতালে লইয়া যাওয়া হইয়াছে। সামগ্রিক অবস্থাদৃষ্টে বার বার সকলের মনকে নাড়া দিয়েছে একটিমাত্র প্রশ্ন- আইন-শৃংখলা, সভ্যতা, শালীনতা যেখানে একশ্রেণীর তরুণের মুষ্টির মধ্যে, যেখানে শহিদ মিনারের পবিত্র পাদপীঠে স্মৃতি তর্পণের পরিবর্তে নোংরামি চলে সেখানে শহিদ দিবস পালনের সার্থকতা কোথায়?”

শহীদ মিনারে ১৯৭৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারী মহিলাদের উপর বর্বর অত্যাচারের সেই ঘটনার কোনো তদন্ত হয়নি। কারণ, যারা এই জুলুম করেছিলো আওয়ামী লীগের সেই তরুণদের বিরুদ্ধে কারোর কোনো অভিযোগ করার সাহস ছিলোনা। প্রকাশ্যে কেউ কিছু বললে তারা তাদের জিভ কেটে নেয়ার হুমকি দিয়েছিলো।

মুক্তিযুদ্ধের পরে মুলত মুজিব বাহিনী দিয়ে গঠিত রক্ষী বাহিনীও ধর্ষণ ও অন্যান্য অত্যাচারে লিপ্ত হয়। তারা কার্ফু দিয়ে সারা গ্রাম ঘেরাও করে এই বাহিনী অস্ত্র, ‘দুষ্কৃতকারী’ এবং ‘রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ’ অনুসন্ধান করতে শুরু করে। এই প্রক্রিয়ায় তারা বেপরোয়াভাবে হত্যা, লুণ্ঠন এমনকি ধর্ষণও করতে থাকে।

সাবেক এ আই জি শফিকুল ইসলাম শেখ মুজিবের শাসনামলে এক থানার ওসি ছিলেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের পরপরই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপরে আওয়ামী লীগের কর্মীদের ধর্ষণের ঘটনা তার প্রকাশিত বইয়ে লিপিবদ্ধ করেছেন। উল্লেখ্য শফিকুল ইসলাম নিজেও ছিলেন একজন মুক্তিযোদ্ধা।

অ্যান্থনি মাসকারেনহাস তার বাংলাদেশ: রক্তের ঋণ গ্রন্থে বলেন, শেখ মুজিবের প্রতি চূড়ান্ত অসন্তোষের পেছনে একটি নির্দিষ্ট ঘটনাকে তিনি প্রভাবক হিসেবে উল্লেখ করেন, তা হলঃ টঙ্গীর মোজাম্মেল নামে এক সমসাময়িক আওয়ামী লীগ তরুণ নেতা এক নববিবাহিত গৃহবধুকে গাড়ী থেকে তুলে নিয়ে তার ড্রাইভার ও স্বামীকে হত্যা করার পর তাকে অপহরণ করে গণধর্ষণ করে তিনদিন পর তার রক্তাক্ত লাশ রাস্তায় ফেলে যায়। এতে মেজর নাসের মোজাম্মেলকে আটক করে পুলিশের হাতে সোর্পদ করলে অনতিবিলম্বে তিনি ছাড়া পান। তখন অনেকেই মনে করেন, শেখ মুজিবের হস্তক্ষেপেই তিনি অপরাধের শাস্তি হতে মুক্তি পেয়েছিলেন। এই ঘটনা হুমায়ুন আহমেদ তার দেয়াল উপন্যাসে উল্লেখ করেছেন।

সেই ঐতিহ্যকে অনুসরণ করেই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা মানিক শততম ধর্ষণ সম্পন্ন করার পরে প্যান্ডেল খাটিয়ে উৎসব করেছিলো।

আওয়ামী আমলে নারীরা নির্যাতিত হবার যে রেকর্ড আছে সেটাই আজকের আওয়ামী লীগারেরা অনুসরণ করছে। এমনকি সেইদিনের নির্যাতক ধর্ষকেরা আজ ক্ষমতাবান। আপনারা মিলিয়ে দেখতে পারেন, সেদিনের ঘটনার সাথে আজকের ঘটনার কোন তফাত দেখতে পাবেন না। আওয়ামী লীগের অনেক ঐতিহ্যের সাথে ধর্ষণ ও একটা ঐতিহ্য তাই আওয়ামী আমলে ধর্ষকদের বাম্পার ফলন হয় আর তারা সবাই আওয়ামী লীগে আশ্রয় পায়।

লেখাটির ফেইসবুক ভার্সন পড়তে চাইলে এইখানে ক্লিক করুন

Share

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Feeling social? comment with facebook here!

Subscribe to
Newsletter