June 7, 2020

When Obaidul Quader was elected general secretary of Awami League, the Indian high commission in Dhaka organised a special programme to felicitate him. It is difficult to find another example of an embassy or high commission of a country felicitating a political leader of another country for any of his achievements.

After BSF of India killed five Bangladeshi citizens on the border within a span of twenty-four hours, the Awami League leader shamelessly said: “Bangladesh is attached to India through a very special bond of the Liberation War. The solidarity that India extended during the Liberation War will always remain an integral part of the history of Bangladesh. The relationship between Bangladesh and India sometimes hit rough weather after the war. But, the wall of mistrust between the two countries has crumbled down completely.”

The killing of the Bangladeshi citizens is not an issue for the ruling party or its leaders at all. I wonder how despite the murder of five citizens of your country you believe that the wall of mistrust between Bangladesh and India has crumbled down. The former Indian high commissioner had said that Awami League would face an embarrassing defeat and turn into a minority party if a fair election was held. The Indian high commission felicitated Quader this way because it was sure that to stay on in power at the mercy of New Delhi, Awami League would always act in support of India and never bother to protect the interests of Bangladesh.

Sometimes the masters express their thankfulness towards their slaves in this style. Such a manner of expressing thankfulness by India is gleefully enjoyed by the slaves in our country. But, the citizens of Bangladesh indeed hate this master-slave relationship between India and Bangladesh.

Click here to read the original Facebook post

ওবায়দুল কাদের যখন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলো, তখন ভারতীয় দূতাবাসে ওবায়দুল কাদেরের জন্য বিশেষ সম্বর্ধনার আয়োজন করা হয়েছিলো। একটি দেশের রাজনৈতিক দলের নেতা নির্বাচিত হওয়ায় কাউকে আরেক দেশের দূতাবাসে সম্বর্ধনা দেয়ার নজির পৃথিবীতে আর নাই।

এই ওবায়দুল কাদের ভারতীয় বিএসএফ কর্তৃক ২৪ ঘন্টায় পাঁচ বাংলাদেশী সীমান্তে নিহত হবার পরে নির্লজ্জের মতো বলেছে, “ভারতের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের ‘রক্তের রাখি বন্ধনে’ আবদ্ধ বাংলাদেশ। মুক্তিযুদ্ধে ভারতের যে সংহতি তা বাংলাদেশের ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ। মুক্তিযুদ্ধের পর দুই দেশের মধ্যে কখনো কখনো টানাপোড়েন থাকলেও, অবিশ্বাসের দেয়াল ভেঙে গেছে।”

এদের কাছে বাংলাদেশের নাগরিকের মৃত্যুও তেমন কোন বড় ঘটনা নয়। এক দেশ অনুপ্রবেশের দায়ে আরেক দেশের পাঁচ জন নাগরিককে খুন করলো ২৪ ঘন্টার মধ্যে। এই দুই দেশের মধ্যে অবিশ্বাসের দেয়াল কীভাবে ভাঙতে পারে?

অজনপ্রিয় এই আওয়ামী লীগ ফেয়ার নির্বাচন হলে একটি লজ্জাজনক সংখ্যালঘু দলে পরিণত হবে বলে সাবেক ভারতীয় রাষ্ট্রদূত মত দিয়েছিলো। সেই আওয়ামী লীগ ভারতের অনুগ্রহে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য ভারতের হাতে দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিবে এই আশাতেই ভারতীয় দূতাবাস তাকে এভাবে সম্বর্ধনা দিয়েছিলো। তারা জানে বাংলাদেশে ভারতের স্বার্থ এই ওবায়দুল কাদের ও তার দলই রক্ষা করবে।

প্রভুরাও মাঝে মাঝে ক্রীতদাসের পিঠ চাপড়ে দেয়। ভারত তার ক্রীতদাসদের সন্মান দেয় এটা অবশ্য ক্রীতদাসদের জন্য আনন্দের বিষয় হলেও দেশবাসী এই দাসত্বকে ঘৃণার চোখেই দেখে।

লেখাটির ফেইসবুক ভার্সন পড়তে চাইলে এইখানে ক্লিক করুন

Add comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *