Want to get latest blog from Pinaki Bhattacharya?
We will send you emails!
Subscribe!

Actually we will not spam you and keep your personal data secure

July 11, 2020

Ron Sikdar, executive director of Sikdar group and his brother Dipu Haq Sikdar detained two directors of EXIM Bank, tortured them and aimed to shoot them dead, after the bank refused give loan to them on a fraudulent deal. Although the incident of torture of the directors took place on May 7, the bank filed suits against the brothers on May 19. Banking experts have identified the attack on the directors as an unexpected incident. Now it has come to light that on May 25 the two brothers have fled the country quietly using an air ambulance owned by Sikdar group.

The two brothers are favoured by Sheikh Hasina’s government. The whole country was under lockdown. There was a ban on travel. Yet, with the help from their connections the brothers managed to fly to Bangkok, from Dhaka’s Shahjalal International Airport, using their air ambulance.

The authorities at the airport in Dhaka were told that two dying patients would be on the air ambulance. Two Sikdar brothers posed as dying patients, boarded the air ambulance and fled to Bangkok.

Immigration officials refused to elicit details of the two persons who flew out in the air ambulance. But they revealed that there were two persons and they left for Thailand. The air ambulance that the Sikdar brothers used to flee Bangladesh is owned and operated by R & R Aviation, a sister concern of Sikdar Group.

On May 23, Bangladeshi embassy in Thailand wrote to Thai foreign ministry seeking permission for landing of the air ambulance in Bangkok and visas for two brothers. Thai foreign ministry asked the Thai embassy in Dhaka to issue the visas.

On May 23, Bangladeshi foreign ministry wrote a letter to Thai embassy in Dhaka and sought emergency medical visa for two. On May 24, the Thai embassy in Dhaka issued visas to two Sikdar brothers and the next day they flew out of the country.

We all know that from March 26 no flight has been operating between Bangladesh and Thailand. I think the world does not know how Bangladesh government used its state machinery, prepared fake documents to show that the two brothers were in dying condition and sent the two goons to Thailand. Should any civilised nation maintain a diplomatic relationship with this rogue state?

Click here to read the original Facebook post

জালিয়াতির মাধ্যমে ঋণ প্রদান করতে রাজি না হওয়ায় এক্সিম ব্যাংকের দুই পরিচালককে আটকে রেখে নির্যাতন এবং গুলি করে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছিলেন সিকদার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রন হক সিকদার ও তার ভাই দিপু হক সিকদার।

ঘটনাটি মে মাসের ৭ তারিখের হলেও এক্সিম ব্যাংক তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে ১৯ মে। দেশের ইতিহাসে এটাকে ‘অভাবনীয় ঘটনা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা। এবার জানা গেল, করোনার সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ওই দুই ভাই দেশ ছেড়ে পালিয়েছে!

গত ২৫শে মে দেশ ছেড়েছেন সরকার আশীর্বাদপুষ্ট এই দুই ভাই!

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে আরোপিত বিধিনিষেধের মধ্যেই গত ২৫ মে সিকদার গ্রুপের মালিকানাধীন একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স দুই জন যাত্রী নিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ব্যাংককের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। তারা বলেছিলো দুই মুমূর্ষু রোগীকে ব্যাংককে নিয়ে যেতে হবে। অ্যাম্বুলেন্সে করে যাওয়া এই দুই ‘মুমূর্ষু রোগী’ হলেন— সিকদার গ্রুপের এমডি রন হক সিকদার ও তার ভাই দিপু হক সিকদার।

ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা তাদের পরিচয় প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানালেও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ গত ২৫ মে দুই জন যাত্রী নিয়ে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করেছে। ওই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি সিকদার গ্রুপের সিস্টার কনসার্ন আরঅ্যান্ডআর অ্যাভিয়েশন লিমিটেডের মালিকানাধীন।

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি থাইল্যান্ডে অবতরণের অনুমতি দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে গত ২৩ মে সেখানকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে একটি চিঠি দিয়েছে থাইল্যান্ডে অবস্থিত বাংলাদেশি দূতাবাস।

ওই দিনই তাদের অনুমোদন দেওয়া হলে ঢাকায় অবস্থিত থাই দূতাবাসে একটি চিঠি দেওয়া হয়। যেখানে দুই জনকে মেডিকেল ভিসা দেওয়ার অনুরোধ করা হয়। ২৪ মে ভিসা ইস্যু করা হয় এবং পরের দিন (২৫ মে) তারা ব্যাংককের উদ্দেশে রওনা দেয়।

উল্লেখ্য যে, গত ২৬ মার্চ থেকে বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ।

সারা দুনিয়া কী জানে যে বাংলাদেশ সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে এইভাবে ভিন্ন একটি রাষ্ট্রকে প্রতারিত করে তাদের ভুমিতে দুর্বৃত্তদের পাঠায়? এমন একটি বদমায়েশ রাষ্ট্রের সাথে কোন কুটনৈতিক সম্পর্ক কি রাখা উচিৎ?

লেখাটির ফেইসবুক ভার্সন পড়তে চাইলে এইখানে ক্লিক করুন

Add comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *