Bangladesh Police is known as a corrupt and oppressive force

Arrested for smoking cigarette, (man) released after paying 3.5 lakh takas to police“- this was the headline of a Prothom Alo report on Tuesday.

The same day Jyotirmoy Barua, who is known as a Bangladeshi intellectual and activist, wrote in a Facebook post, “we should not make any comment that demoralises police“. Barua introduces himself as progressive and anti-government, and seeks to delegitimise socials activists, including me.

I believe, Sheikh Hasina quietly places persons like Barua in the anti-government camp in an interesting strategy that helps her stay on in power. I think many will support my view in this case. People like Barua often use their so-called intellectual identity to defend the government when it is in trouble. At the same time, they aim to delegitimise the anti-government radical block.

Historically the police have been known as a corrupt and oppressive force in Bangladesh. They actually do not play any role to maintain law and order in Bangladesh. It has turned into a mafia force. The institution of police, as it functions in Bangladesh, should be dismantled completely, if we want to carry our nation forward, keeping pace with the civilised world. Strangely, Jyotirmoy Barua and others of his ilk are taking the role of cheerleaders, to boost the morale of this corrupt force.

Take a look at the attached image to find out who introduce and promote people like Barua as intellectuals.

Click here to read the original Facebook post

প্রথম আলোতে প্রকাশিত একটা সংবাদের শিরোনাম এমন: “সিগারেট খাওয়ার অপরাধে গ্রেপ্তার, পরে পুলিশকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা দিয়ে মুক্তি“।

বিশেষ কারণে আমি এই শিরোনামটা উল্লেখ করছি। কারণ একই দিনে ফেইসবুকে বাংলাদেশের একজন বুদ্ধিজীবী ও অ্যাকটিভিস্ট জ্যোতির্ময় বড়ুয়া লিখেছেন, “পুলিশের মনোবল নষ্ট হয় এমন কিছু আমাদের বলা উচিৎ নয়।” এই বুদ্ধিজীবী নিজেকে একজন প্রগতিশীল ও সরকারবিরোধী বলে দাবী করে। অবশ্য জ্যোতির্ময় বড়ুয়া শুধু নিজেকে সরকারবিরোধী বলে দাবীই করেনা, সে আমার মতো অ্যাকটিভিস্টদেরকেও ডিলিজিটিমাইজ করার চেষ্টা করে।

আমি ব্যক্তিগতভাবে একটা বিষয় সকলের বিবেচনার জন্য বলে থাকি। তা হচ্ছে, হাসিনা সরকার টিকেই আছে এক অভিনব কৌশল অনুসরণ করে আর তা হচ্ছে সরকারবিরোধী শিবিরে জ্যোতির্ময় বড়ুয়াদের ঢুকিয়ে দেয়া। জ্যোতির্ময় বড়ুয়ারা সরকারবিরোধিতার ভান ধরে দুইটা কাজ করে। এক সরকারের বিপদের সময়ে সরকারকে বুদ্ধিজীবিতার দোহাই দিয়ে রক্ষা করে এবং একইসাথে সরকারবিরোধী র‍্যাডিক্যাল অংশকে ডিলিটিমাইজ করে।

ঐতিহাসিকভাবেই পুলিশ নামের প্রতিষ্ঠানটাই বাংলাদেশে দুর্নীতিবাজ ও নিপীড়ক বাহিনী হিসেবে তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশে আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় এই বাহিনীর কোন ভূমিকা নাই। এই বাহিনী নিছক একটা মাফিয়া প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। যেই প্রতিষ্ঠানের সমূলে উচ্ছেদই একটা অগ্রসর রাষ্ট্র গঠনের পূর্বশর্ত হতে পারে, তখন জ্যোতির্ময় বড়ুয়ারা সেই বাহিনীর মনোবল বাড়ানোর জন্য চিয়ারলিডারের ভূমিকা নেয়।

এই জ্যোতির্ময় বড়ুয়াদের কারা প্রোমোট করে, বুদ্ধিজীবী বানায় সেটা দেখানোর জন্য ছবিটা সংযুক্ত করলাম।

লেখাটির ফেইসবুক ভার্সন পড়তে চাইলে এইখানে ক্লিক করুন

Share

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Feeling social? comment with facebook here!

Subscribe to
Newsletter