June 7, 2020

Several very serious problems are surfacing in Bangladesh in the process of detection of the COVID-19 infection. A corrupt and crumbling health care system had already kept the people of the country on the threshold of a risk. Now the whimsical and mischievous policies of a government- which came into power through fraudulent elections- have spawned some very serious problems.

Bangladesh adopted a policy to test less number of people in an attempt to show that the coronavirus outbreak was not taking a gruesome shape in the country. Among the cases detected, the number of people dying from the infection outnumbered those who recovered. In no country in the world the death toll has outnumbered those who survived the infection. Immediately after some health experts began questioning why more people were dying compared to those who were recovering in the country, the government announced that the number of people recovered was 1,063- an incredible jump from the figure of 177 the previous day.

Many began asking question how as many as 900 people were found to have recovered from the infection in just one day. IEDCR explained that following a new guideline on recovery from the infection, issued by the Clinical Management Committee of Bangladesh, more patients have been found to have recovered from the infection. This is very unusual. The health authorities in Bangladesh have created a new parameter on the recovery from the COVID-19 infection. So, many of whom are being counted as cured according to the locally created parameter are in fact still carrying the infection. Can a country on its own create a parameter on the recovery from an infection which is threatening the global population as a pandemic?

There is worrying level on inconsistency in the collection of samples from suspected coronavirus patients, tests and their results. A person who has never given specimen for test or has not undergone any test was identified as COVID-19 positive. After 14 days, the same person tested negative, they said. The person tested positive in another following test, after some days, it was reported. Many sample collectors are giving the swab sticks to the suspected patients and asking them to collect the samples on their own, before they are sent for testing. There are many un-trained sample collectors; they are collecting just the spittle for the test, instead of collecting the saliva. Many such tests are showing negative results. So, many COVID-19 patients in Bangladesh are testing negative, because of flawed testing procedures in many cases.

The authorities in Bangladesh are testing people for COVID-19 in a whimsical style, without following the international norms or guidelines. It indeed poses a threat to the global health care system. There is a fear that Bangladesh may soon turn into a Covid hotspot and epicentre of the pandemic.

The World Health Organisation should intervene and force Bangladesh to follow international guidelines in the detection and treatment of the coronavirus infections.

Click here to read the original Facebook post

বাংলাদেশে করোনা রোগীর শনাক্তকরণ চিকিৎসায় মারাত্মক সব সমস্যা দৃশ্যমান হচ্ছে। দুর্নীতিগ্রস্ত ও ভঙ্গুর স্ব্যাস্থব্যবস্থার কারণে বাংলাদেশের মানুষ এমনিতেই ঝুঁকির মধ্যে ছিলো। কিন্তু এর উপরে বাংলাদেশে রাষ্ট্রের উপরে চেপে বসা অনির্বাচিত ফ্যাসিস্ট সরকারের খামখেয়ালি ও বদমায়েশীপূর্ণ নীতির জন্য তা ভয়াবহ সমস্যার জন্ম দিয়েছে।

প্রথমত, বাংলাদেশ সরকার করোনার ভয়াবহতা কম দেখানোর জন্য কম টেষ্ট করার কৌশল গ্রহণ করে। তারপরেও যে কয়জন শনাক্ত হচ্ছে তাদের আরোগ্য হওয়ার সংখ্যার চাইতে মৃতের সংখ্যা বেশী ছিলো। পৃথিবীর কোন দেশেই আরোগ্যপ্রাপ্ত রোগীর চাইতে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার কারণে মৃত রোগীর সংখ্যা বেশী নয়। কেন বাংলাদেশে আরোগ্য হওয়ার চাইতে বেশী রোগী করোনায় মারা যাচ্ছে সেই সমালোচনা যখন শুরু হয়েছে তখন একদিনেই বাংলাদেশে কোভিড-১৯ থেকে সেরে ওঠার সংখ্যা ১৭৭ থেকে একলাফে ১০৬৩ জন বলে সরকার ঘোষণা দেয়।

কীভাবে এত অল্প সময়ের মধ্যে এত বেশি রোগী সুস্থ হলো তার কারণ হিসেবে আইইডিসিআর বলছে, কাদেরকে সুস্থ বলা হবে সে ব্যাপারে বাংলাদেশের ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট কমিটির দেয়া একটি নতুন গাইডলাইন অনুসরণ করা হয়েছে। এই ঘটনা নজিরবিহীন। অর্থাত স্থানীয়ভাবে সুস্থ হওয়ার প্যারামিটার তৈরি করে সেই প্যারামিটারে যাদের সুস্থ বলা হচ্ছে তারা আদতে সুস্থই নয়।

সবচেয়ে গুরুতর প্রশ্ন হচ্ছে, একটা বৈশ্বিক মহামারীর সময়ে কি একটা রাষ্ট্র তাদের সুবিধামতো স্থানীয়ভাবে রোগ নিরাময়ের প্যারামিটার বানাতে পারে?

এছাড়াও সন্দেহভাজন করোনা আক্রান্ত রোগীদের নমুনা সংগ্রহ, পরীক্ষা ও ফলাফলে আছে মারাত্মক অসঙ্গতি। যে রোগীর নমুনাই নেয়া হয়নি তাকে বলা হচ্ছে পজিটিভ। আবার ১৪ দিন হাসপাতালে থাকার পর প্রথম পরীক্ষায় বলা হচ্ছে নেগেটিভ এবং পরের পরীক্ষায় পজিটিভ। সংগ্রহকারীদের অনেকেই নিজে স্যম্পল সংগ্রহ না করে রোগীদের হাতে কাঠি দিয়ে নমুনা আনতে বলেন। আবার যারা স্যম্পল সংগ্রহ করছেন তাদের অনেকের সঠিক প্রশিক্ষণ না থাকায় লালার পরিবর্তে রোগীদের থুতু নিয়ে আসছেন। ফলে ফলাফল নেগেটিভ আসছে।

এর ফলে যে সব রোগীর স্যাম্পল সংগ্রহ হচ্ছে তাদের মধ্যে করোনা আক্রান্ত থাকলেও স্যম্পল সংগ্রহের ত্রুটির জন্য তাদের অনেকের করোনা শনাক্ত করা যাচ্ছেনা।

বাংলাদেশের করোনা শনাক্ত ও করোনা চিকিৎসার এই তুঘলকি কাণ্ড বিশ্বের জন স্বাস্থ্যের জন্য এক হুমকি হয়ে উঠবে। এর ফলে, ভবিষ্যতে বাংলাদেশ করোনার হটস্পট এবং এপিসেন্টার হয়ে ওঠার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

আমি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে অবিলম্বে বাংলাদেশে করোনা শনাক্ত ও চিকিৎসার তুঘলকি কাণ্ড বন্ধের বিষয়ে হস্তক্ষেপের আহবান জানাই।

লেখাটির ফেইসবুক ভার্সন পড়তে চাইলে এইখানে ক্লিক করুন

Add comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *