Callous government does nothing to tackle the menace of dengue

Callous government does nothing to tackle the menace of dengue
Pinaki Bhattacharya

Dengue fever in Bangladesh has taken an epidemic proportion. Dengue patients have filled up all hospitals of Dhaka. Many hospitals are not in a position to accept more patients. It means, number of new infections is more than the number who are recovering from this infection. However, the government has not declared the dengue-related crisis as epidemic as yet.

Mosquito killing chemicals like Permethrin, Deltamethrin, Tetramethrin, Malathion, which are used by the city corporations of Bangladesh, have proven to be ineffective, research by International Centre for Diarrhoeal Disease Research, Bangladesh (ICDDR,B) has found.

Interestingly, the results of the research by ICDDR,B on the efficacy of the anti-mosquito chemicals have been rejected by a minister in Bangladesh. “The medicines (chemicals) are working effectively against the mosquitoes (which spread dengue),” the minister said.

At least 63 people have died after being infected by dengue in Bangladesh this year, according to local media reports. However, the government insists that only 14 people have been killed by the infection.

The government confirms that this year over 15,000 cases of dengue have been reported in Bangladesh. Almost 85% of the dengue-infected patients do not happen to land in hospitals in Bangladesh and only around 2% of the total infection comes under the radar of the health department. According to an estimate the total number of those infected with dengue in Bangladesh has crossed 350,000 this year. This estimate has been drawn following analyzing of data from the health department of Bangladesh. It has been reported that WHO experts assisted the health department in preparing the estimate on the dengue infection.

However, Sayeed Khokon, mayor of Dhaka South City Corporation, said: “Some people are unnecessarily politicising the issue of dengue. There is no basis behind the estimate of 350,000 in this case…This figure is misleading.”

In this case of dengue outbreak many are spreading rumours the way did by spreading false story of child kidnapping, the mayor said.

“The two rumours are interconnected. The government is firm on its decision to fight the rumour about the figure on the dengue infection. Those who are spreading the rumour by exaggerating the toll on infection will face stern action,” he said.

Now the High Court has been involved in the issue of the aedes mosquito which carries the infection of dengue fever. A lawyer, representing the city corporation made a ridiculous statement. He told the court that if the authorities used the chemicals in south Dhaka, the insects were escaping towards the north Dhaka. And, if they used the chemicals in north Dhaka flew away to south Dhaka. We all know that the chemicals which are used by the city corporations actually kill the mosquitoes.

Bangladesh’s health minister Zahid Malik made a terribly racist comment while describing the menace of the mosquitoes which spread the infection of dengue. He said, “Aedes mosquitoes reproduce like the Rohingyas. It’s very difficult to curb this menace.”

While Bangladesh is grappling with country’s worst dengue outbreak and hospitals are flooded with patients the prime minister has gone to London reportedly for her cataract surgery. Some months ago she had announced that for medical treatment she would never move out of Bangladesh and would go to hospitals within the country.

In this situation the health minister has left for Malaysia with his family. Before going out on this vacation he rejected leave applications of all doctors.

We all know how fraudulently this government retained power in Bangladesh in December. Now this useless unpopular government, which is known as a liar, is resorting to anti-people activities again. We are indeed aware of its all misdeeds.

Click here to read the original Facebook post

বাংলাদেশে ডেঙ্গি রোগ মহামারীর রূপ ধারণ করেছে। ঢাকা শহরের সব হাসপাতাল ডেঙ্গি রোগীতে ভর্তি। কোন হাসপাতালে নতুন রোগী ভর্তির সিট পাওয়া যাচ্ছেনা। এর অর্থ হচ্ছে যারা আরোগ্য লাভ করছে তাদের চাইতে বেশী রোগী নতুনভাবে আক্রান্ত হচ্ছে। সরকার এই ভয়াবহ স্বাস্থ্য সমস্যাকে এখনো মহামারী বলে ঘোষণা দেয়নি।

আইসিডিডিআর,বির পরীক্ষায় এডিস মশা পারমেথ্রিন, ডেল্টামেথ্রিন, টেট্রামেথ্রিন, ম্যালাথিয়ন নামের মশা মারার ওষুধ যা সিটি কর্পোরেশন ব্যবহার করে তা প্রতিরোধী হয়ে ওঠার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

মশা মারার ওষুধের কার্যকারিতা নিয়ে আইসিডিবিআর,বির গবেষণায় ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী।

তিনি বলেন, “মশা নিধনে কার্যকরী ওষুধ প্রয়োগ করা হচ্ছে বলে পরীক্ষা শেষে পাওয়া গিয়েছে।”

বিভিন্ন মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, মশাবাহিত এই রোগে এরই মধ্যে অন্তত ৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে দেশে। যদিও সরকারের খাতায় এসেছে ১৪ জনের মৃত্যুর খবর।

কিন্তু আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ৮৫ শতাংশই চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে যান না এবং যারা হাসপাতালে যান, তাদের মাত্র ২ শতাংশের তথ্য সরকারি নজরদারির মধ্যে আসে- এমন যুক্তিতে চলতি বছর ডেঙ্গি আক্রান্তের একটি অনুমিত হিসাব অনুসারে, আক্রান্তের সংখ্যা এরই মধ্যে সাড়ে তিন লাখ ছাড়িয়ে গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার তথ্য বিশ্লেষণ করে আক্রান্তের এই অনুমিত সংখ্যা পাওয়া গেছে। আর এই অনুমিত হিসাব তৈরিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে সহায়তা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

অথচ মেয়র সাঈদ খোকন এই পরিসংখ্যান নিয়ে বলেন, “মশা নিয়ে রাজনীতি কাম্য নয়। যে তথ্য এসেছে সাড়ে তিন লাখ আক্রান্তের কাল্পনিক তথ্য…. এটা সম্পূর্ণভাবে কাল্পনিক, বিভ্রান্তিমূলক।” এ বিষয়ে ‘ছেলেধরার’ মত গুজব ছড়ানো হচ্ছে। তিনি বলেন,“ছেলে ধরা, সাড়ে তিন লাখ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত (এসব গুজব) একই সূত্রে গাঁথা। সরকার দৃঢ়ভাবে প্রতিজ্ঞ, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এই ষড়যন্ত্রকারীদেরা মোকাবেলা করবে। ডেঙ্গু রোগীদের পাশে থেকে কঠিন জবাব দেওয়ার জন্য সরকার প্রতিজ্ঞ।”

এডিস মশা তথা ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি হাইকোর্ট পর্যন্ত গড়িয়েছে। আদালতে সিটি কর্পোরেশনের আইনজীবি সিটি কর্পোরেশনের পক্ষে বক্তব্য পেশ করতে গিয়ে হাস্যকর যুক্তি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ঢাকা দক্ষিণে মশার ওষুধ দিলে মশারা পালিয়ে ঢাকা উত্তরে পালিয়ে আসে, আর ঢাকা উত্তরে ওষুধ দিলে মশা ঢাকা দক্ষিনে পালিয়ে যায়।” উল্লেখ্য ঢাকা শহরে দুইটি সিটি কর্পোরেশন ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালিক ডেঙ্গি নিয়ে চরম বর্ণবাদী মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, “এডিস মশার প্রজনন ক্ষমতা রোহিঙ্গাদের মতো। এডিস মশার প্রোডাকশন অনেক বেশি, যে কারণে নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।”

দেশে যখন অঘোষিত ডেঙ্গি মহামারী চলছে তখন দেশের প্রধানমন্ত্রী তাঁর চোখের ছানি কাটাতে গেছেন লণ্ডনে। যদিও তিনি প্রকাশ্যেই ঘোষণা দিয়েছিলেন কয়েকমাস আগে যে তিনি ভবিষ্যতে দেশেই চিকিৎসা নেবেন।

এদিকে আবার দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশের সব ডাক্তারের ছুটি বাতিল করে পরিবারসহ মালয়েশিয়ায় ছুটি কাটাতে গেছে।

এই ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ে প্রহসনের নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে যে সরকার নামের সিন্দাবাদের ভূত দেশের ঘাড়ে চেপে বসে আছে সেই সরকার একইসাথে কতখানি অপদার্থ, গণবিরোধী ও মিথ্যুক সেটা বুঝতে কারো অসুবিধা না হওয়ার কথা নয়।

লেখাটির ফেইসবুক ভার্সন পড়তে চাইলে এইখানে ক্লিক করুন

Print Friendly, PDF & Email
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Comment