June 7, 2020

The government supplied some N-95 masks to an important hospital in Bangladesh. Outside the box that carried the masks, “N-95 Masks” was printed. But, when the doctors in the hospital opened the box in the hospital they were shocked to find the masks to be substandard ones. They were made of ordinary cloth and certainly not N-95 masks.

Identical incidents have taken place also in many other hospitals. Many doctors are not being supplied with the PPEs or Personal Protection Equipments. PPEs supplied to many hospitals are being found to be of unacceptably poor standard. Some doctors who took exception to the supply of substandard PPEs were transferred away from their hospitals as punishment. So, fearing punishment the doctors are no more lodging any protest, despite receiving substandard PPEs.

Powerful mafias control the groups that supply different materials to the health ministry in Bangladesh. They supply medicines, different types of equipment, foods for patients and other materials at considerably high rates. It was reported in the local media sometime back that the authorities spent thousands of dollars to buy one curtain for a hospital. Loots and scams of indescribable magnitude have left the healthcare system in Bangladesh in very bad shape. The crumbling healthcare system makes the corona situation more unmanageable in Bangladesh.

Click here to read the original Facebook post

বাংলাদেশের একটা গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতালে সরকার এন ৯৫ মাস্ক সরবরাহ করেছিলো। চিকিৎসকেরা সেই বাক্স খুলে দেখতে পায় উপরে “এন ৯৫” লেখা থাকলেও ভিতরে নিম্নমানের কাপড়ের মাস্ক।

এই ঘটনা বাংলাদেশের অন্য অনেক হাসপাতালেই ঘটেছে। চিকিৎসকেরা পিপিই পাচ্ছেন না। পেলেও সেটা অতি নিম্নমানের। চিকিৎসকেরা এই নিম্নমানের চিকিৎসা সামগ্রী পাঠানোর প্রতিবাদ করলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসককে শাস্তিমূলকভাবে তাদের কর্মক্ষেত্র থেকে বদলি করে দেয়া হচ্ছে। সেকারণে নিম্নমানের মাস্ক পেলেও তারা কোন প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেনা।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সরকারী চিকিৎসা সামগ্রী সরবরাহ নিয়ে শক্তিশালী মাফিয়া গড়ে উঠেছে। তারা ওষুধ, যন্ত্রপাতি, রোগীর খাদ্য সবকিছু সরবরাহের ক্ষেত্রেই উচ্চমূল্যে খুবই নিম্নমানের সামগ্রী সরবরাহ করে চলছে। এমনকি তাদের হাসপাতালের একটা পর্দা কিনতেও কয়েক হাজার ডলার খরচ করার রেকর্ড আছে। অবর্ণনীয় লুটপাটের কারণে বাংলাদেশের নাজুক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা করোনা পরিস্থিতিকে আরো সংকটজনক অবস্থায় ফেলেছে।

লেখাটির ফেইসবুক ভার্সন পড়তে চাইলে এইখানে ক্লিক করুন

Add comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *