Doctor refuses to treat ethnic tribal patient because he cannot speak Bengali

Doctor refuses to treat ethnic tribal patient because he cannot speak Bengali
Pinaki Bhattacharya

It has been proved once again that the reactionary nationalistic politics in Bangladesh teaches people to hate religion, language and nationality of other communities.

A highly qualified specialist government doctor humiliated and threw out a sick and old Chakma man from his chamber in a hospital in Chittagong because he could not speak or understand Bengali. The doctor told the patient that everyone living in Bangladesh must speak and understand Bengali.

Dr Mosleuddin Shahed asked the Chakma man to explain the problems with his health. The doctor also asked him what he did. But the man remained silent because he could not understand what the doctor said. The son of the patient, who accompanied him, said to the doctor: “My father can neither understand nor speak Bengali. There is no Bengali family in the remote area where we live. So, I am accompanying him now.”

The son said that he would help the doctor as an interpreter. But, the doctor angrily said that he would not listen or speak to the son. The doctor said he would never treat a patient who could not speak Bengali and asked the two to leave the place, the son said.

Is Bangladesh meant only for the Bengali-speaking people?

There are at least 45 small ethnic tribes living in Bangladesh. They have their own dialects and scripts. Will they not be allowed to live in Bangladesh if they do not speak Bengali? Can a doctor really refuse to treat someone in Bangladesh just because the patient cannot speak Bengali?

This incident also stands as evidence that a rampant fascist culture has made the rule of law virtually ineffective in Bangladesh and it has destroyed the national solidarity.

Click here to read the original Facebook post

বাংলাদেশের প্রতিক্রিয়াশীল জাতিয়তাবাদী রাজনীতি পর ধর্ম, অপর ভাষা, অপর জাতীয়তাকে ঘৃণা করতে শেখায়। এই ঘটনা প্রমাণ হয়েছে সাম্প্রতিক বাংলাদেশের একজন উচ্চ শিক্ষিত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের রোগীর প্রতি আচরণে। বাংলা না জানার কারণে একজন বৃদ্ধ চাকমা রোগীকে অপমান করে তার সরকারী রোগী দেখার কক্ষ থেকে বের দেয়। শুধু তাই নয়, রোগীকে বলা হয় বাংলাদেশে থাকতে হলে অবশ্যই বাংলা জানতে হবে।

ডা. মোসলেহ উদ্দিন শাহেদ সমস্যার কথা জানতে চান রোগীর কাছে। জিজ্ঞেস করেন, “আপনি কী করেন”। তবে রোগী বাংলা ভাষা না জানায় চিকিৎসকের প্রশ্নের উত্তর দিতে পারছিলেন না। তখন সাথে থাকা রোগীর ছেলে চিকিৎসককে বলে, “বাবা বাংলা বলতে পারেন না, তেমন বুঝতেও পারেন না। আমাদের এলাকায় কোনো বাঙালি পরিবারও নেই। তাই বাবার সঙ্গে আমি এসেছি।”

ছেলেটি চিকিৎসককে জানায় যে সে দোভাষী হিসাবে তার বাবার সাথে কথা বলতে সাহায্য করতে পারে। চিকিৎসক জানান যে তিনি রোগীর সাথে কথা বলার জন্য তার ছেলের সাহায্য নিবেন না। রোগীর ছেলে জানাচ্ছে, চিকিৎসক উঁচু স্বরে তার বাবাকে বলেন, “আপনি বাংলা বোঝেন না? বাংলা বলতে পারেন না? বাড়ি কোথায়?”

“শুধু তাই নয়, এরপর চিকিৎসক বাবাকে বললেন, বাংলাদেশে থাকেন, বাংলা বলতে পারেন না। এদেশে থাকলে অবশ্যই বাংলা পারতে হবে।”

তারপর সেই ডাক্তার রোগী ও তার পুত্রকে তার কক্ষ থেকে বের করে দেন।

বাংলাদেশ কি শুধু বাংলা ভাষীদের জন্য? বাংলাদেশে ৪৫টি ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠি আছে, তাদের অনেকেরই নিজস্ব ভাষা ও লিপি আছে, তাদেরকে কি বাংলা বলতে পারতেই হবে? না বলতে পারলে কি তারা বাংলাদেশে থাকতে পারবে না? বাংলা ভাষা না বলতে পারলে কি সরকারী হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা না দিয়ে রোগীকে বের করে দেয়া হবে?

বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ চেপে বসে অব্যাহতভাবে আইনের শাসনকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য বাংলাদেশের জাতীয় সংহতিও যে নষ্ট হয়ে গেছে, এই ঘটনা তারই সাক্ষ্য দিচ্ছে।

লেখাটির ফেইসবুক ভার্সন পড়তে চাইলে এইখানে ক্লিক করুন

Print Friendly, PDF & Email
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Comment