Want to get latest blog from Pinaki Bhattacharya?
We will send you emails!
Subscribe!

Actually we will not spam you and keep your personal data secure

July 10, 2020

Many in and outside the country condemn the Digital Security Act (DSA) of Bangladesh as a regressive one. But it has never been a subject of discussion that no modern nation can have such a regressive Act. The basic premises of law were not taken in consideration while framing this Act. Strangely, no legal expert has issued any critique on the Act as yet. I hope some national and international law experts will look into this controversial Act, which is primitive and runs counter to international laws, and analyse it in the light of the points I have raised.

Let’s have a discussion on why the DSA was introduced in the country and the definition of law was ignored while framing the law or Act. We should have some basic knowledge of offence and law before we get into this discussion. There are two types of offences. Murder, theft, cheating, rioting, drunk driving etc. are counted as criminal offences. And, defamation, breach of contract etc. are categorised as civil offences. If you are found guilty of a criminal offence you have to face jail term. But, in case you commit a civil offence, the court will order you to pay a fine- you will not be sent to jail. Defamation is certainly a civil offence. But under DSA, defamation is viewed as a criminal offence.

You cannot criticise Sheikh Mujib. You cannot criticise even Masuda Bhatti. If you call Bhatti ‘depraved’, you are defaming her and you face a defamation suit. This is not a criminal offence. This is a civil offence. No court in a civilised country will jail you for this offence. But, for calling Masuda Bhatti “depraved” or “characterless” barrister Moinul Hossain was jailed immediately after a suit was filed against him. Right now he is on bail. But, if he loses the case, he will be sent to jail again.

So, under the DSA in Bangladesh, one committing a civil offence is being prosecuted as a criminal offender. This is illegal. It goes against the spirit of a modern justice system. I hope the international media and human rights organisations will highlight the issue of the DSA in Bangladesh and how it has been in force in the country in blatant violation of the modern legal norms.

Click here to read the original Facebook post

বাংলাদেশে যে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট হয়েছে সেটা যে নিবর্তনমূলক তা জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে সকলেই বলেছেন। কিন্তু যেই বিষয়টা একেবারেই আলোচিত হয়নি সেটা হচ্ছে এটা কোন আধুনিক রাষ্ট্রের আইনই হতে পারেনা। আইনের মৌলিক ভিত্তিগুলোকে এই আইনে অস্বীকার করা হয়েছে। এটা কোন আইনজ্ঞ কেন আলোচনা করেনি সেটাই আমার বিস্ময়। আশা করি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞরা আমার উত্থাপিত আলোচনা নিয়ে নতুন ভাবে এই অদ্ভুত অনাধুনিক এবং আন্তর্জাতিক আইনের সাথে সংঘাতপূর্ণ বিষয়গুলি জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে তুলে ধরবেন।

কেন এই ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট, আইনের যে গৃহীত সংজ্ঞা আছে, সেই সংজ্ঞা অনুসারে কেন কোন আইনই হয়নি আসুন সেটা আলোচনা করি।এই আলোচনায় ঢুকতে হলে মোটা দাগে অপরাধ ও আইনের কিছু মৌলিক বিষয় আমাদের জানা থাকা দরকার। অপরাধ মোটা দাগে দুই রকম, একটা ক্রিমিন্যাল অফেন্স যেমন, খুন, চুরি, প্রতারণা, দাঙ্গা, মদ খেয়ে গাড়ি চালানো ইত্যাদি। আরেকটা সিভিল অফেন্স যেমন ধরেন মানহানি, চুক্তি ভঙ্গ ইত্যাদি। ক্রিমিন্যাল অফেন্সে আপনি হেরে গেলে আপনার জেইল হবে কিন্তু সিভিল অফেন্সে হেরে গেলে আপনার জরিমানা হবে জেইল হবে না। তার মানে এই ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টে মানহানি যা আদতে একটা সিভিল অফেন্স তাকে একটা ক্রিমিন্যাল অফেন্স হিসেবে দেখানো হয়েছে।

আপনি শেখ মুজিবের সমালোচনা করতে পারবেন না, আপনি মাসুদা ভাট্টিরও সমালোচনা করতে পারবেন না। আপনি মাসুদা ভাট্টিকে ‘চরিত্রহীন’ বললে তার মানহানী হয়। আমি মানি সারা দুনিয়ার মানুষই বলবে এটা মানহানি হয়েছে এবং এটা অন্যায়। কিন্তু এটা ক্রিমিন্যাল অফেন্স নয়, এইটা সিভিল অফেন্স। এই অফেন্সে কেউ জেলে যাবেনা, দুনিয়ার কোথাও জেলে যায়না। কিন্তু মাসুদা ভাট্টিকে ‘চরিত্রহীন’ বলার পরে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে জেল খাটতে হয়েছে মামলা হবার পরেই। তিনি জামিনে জেলের বাইরে আছেন। মামলায় তিনি হেরে গেলে তাকে আবার জেলে যেতে হবে।

তাহলে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টে সিভিল অফেন্সে ক্রিমিন্যাল শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। এটা আইন নয়। এটা আধুনিক আইনের কাঠামোর পরিপন্থী। আমি আশা করবো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এবং আন্তর্জাতিক মিডিয়া, মানবাধিকার সংঠনগুলো আধুনিক আইনি কাঠামো লংঘন করে তৈরি করা ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট নিয়ে আবারো সোচ্চার হবেন।

লেখাটির ফেইসবুক ভার্সন পড়তে চাইলে এইখানে ক্লিক করুন

Add comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *