Hundreds have been victims of forced disappearance, but perpetrators remain unpunished

Featured Video Play Icon
Pinaki Bhattacharya

The Awami League (AL) led government has committed serious level of human rights violation in Bangladesh by resorting to heinous crimes like making people victims of enforced disappearance. It is not just the leaders and activists of the opposition party and the critics of the government who are being made to disappear; the AL is also doing this to suppress the members of its own party whose opinions differ from its own.

According to the human rights organisation Odhikar, out the 532 victims who have disappeared in the last ten years, only 305 have returned, while bullet-ridden bodies of 68 were recovered from different places. And, 159 among them still remain missing.
Those who have returned insist on remaining tight-lipped clearly because they are too scared to speak.

In all the cases, the law enforcement agency personnel picked up the victims. According to reports by the international human rights organisation FIDH, the elite force called RAB, the DB or Detective Branch of Police and the military intelligence agents of the DGFI played key role behind these disappearances. These state forces own several private detention centers.

In this BBC report, the mother of a missing victim says, “Please tell me if I should pray for my son to be safe in this world, or to find peace in the afterlife. Please just tell me.”

How agonising! The top command of each of the state forces has been involved in the enforced disappearance cases in Bangladesh. The entire world must rise in protest against them and ensure that they face trials in the international court. Any asset they possess outside the country must be confiscated. If they have family members who have been sent abroad, they must be deported immediately.

Click here to read the original Facebook post

আওয়ামী লীগ সরকার ভিন্নমতকে দমন করার জন্য গুমের মতো ঘৃণ্য মানবাধিকারবিরোধী আন্তর্জাতিক অপরাধের আশ্রয় নিয়েছে।

শুধু যে বিরোধী দলের নেতা কর্মীদের আর সরকারের সমালোচকদেরকেই গুম করা হয়েছে তা নয়। নিজের দলের ভিন্নমত দমনের জন্যও গুমের আশ্রয় নিয়েছে আওয়ামী লীগ। মানবাধিকার সংস্থা অধিকারের মতে, গত দশ বছরে গুমের শিকার হয়েছে ৫৩২ জন। এর মধ্যে ৩০৫ জন ফিরে এসেছে এবং ৬৮ জনের মৃতদেহ পাওয়া গেছে। আর, ১৫৯ জন কখনো ফেরেনি।

যারা ফিরে আসে তারা কোন অজানা আতংকে কথা বলতে চায়না। সবগুলো ক্ষেত্রেই আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে ভিক্টিমদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন এফ আই ডি এইচের প্রতিবেদন অনুসারে, র্যা ব নামের এলিট বাহিনী, ডিবি পুলিশ ও ডিজি এফ আই নামের সামরিক গোয়েন্দারা এইসব গুমের সাথে জড়িত। এইসব বাহিনীর নানা প্রাইভেট ডিটেনশন সেন্টার আছে।

বিবিসির এই প্রতিবেদনে গুমের শিকার সন্তানের এক মা বলছেন, ‘আমার গুম হওয়া ছেলের জন্য আমি কি ইহকালের শান্তি নাকি পরকালের মুক্তির জন্য দোয়া করবো সেটা শুধু আমাকে জানান।’ কী মর্মান্তিক!

গুমের সাথে যুক্ত এই সকল বাহিনীর কম্যান্ড এই মানবাধিকার লংঘনের সাথে জড়িত। এদের আন্তর্জাতিক আদালত বিচারের জন্য সারা দুনিয়াতে আওয়াজ তোলা দরকার। তাদের দেশের বাইরে কোন সম্পদ থাকলে সেটা বাজেয়াপ্ত করা দরকার, তাদের পরিবারের সদস্যদের বিদেশে নিরাপদে পাঠিয়ে দিলে তাদের সেই দেশ থেকে বহিষ্কারের ব্যবস্থা করা উচিত।

লেখাটির ফেইসবুক ভার্সন পড়তে চাইলে এইখানে ক্লিক করুন

Print Friendly, PDF & Email
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Comment