Indian border guards kill five Bangladeshis in 24 hours

Indian border guards kill five Bangladeshis in 24 hours
Pinaki Bhattacharya

In the past 24 hours, BSF has shot dead five Bangladeshis on the border, apart from injuring three others. Nowhere else in the world unarmed people get killed in such a big number on the border only in a state of war.

BSF has been in a violently aggressive mood on the Bangladesh border for the past week or so. Since January 15 the Indian force has killed nine Bangladeshi citizens on the border. There is a long history of Bangladeshis being killed by BSF on the border. But, this time the rate of the killing by the BSF has been unusually high.

Bangladesh’s decision to send the national cricket team to Pakistan is linked to the current spate of killings by the BSF on the border, many are saying in the social media.

The decision of Bangladesh’s national cricket team to tour Pakistan has not gone down well with India. On January 14 the cricket authority of Bangladesh decided to send the national cricket team to play in Pakistan. The killing of Bangladeshis by the BSF on the border started spiraling immediately.

There has been no change in the Indian policy of shoot-at-sight to deal with so-called illegal infiltration and smuggling on its border with Bangladesh. For this reason, BSF is able to shoot dead Bangladeshis on the border for or without any reason. Many people on both sides often cross the border to meet relatives, seek jobs and do business. They also need to cross the border or get closer to it for farming in the lands around zero line and fishing.

In the past 20 years, Indian border guards killed around 1,500 ordinary Bangladeshi civilians. Apart from shooting, BSF men also intimidate and violently beat up Bangladeshis on the border.

India has its right to implement security on the border. But, the BSF has no right to use a killer force on the excuse of guarding India’s border.

In Bangladesh, the current regime stays on in power at the mercy of India. This government does not bother to take any diplomatic action in the interest of saving the lives of Bangladeshi citizens. Strangely, the government and BGB (Border Guards Bangladesh) blame the citizens themselves who get killed on the border.

Click here to read the original Facebook post

গত চব্বিশ ঘন্টায় ভারতের বিএসএফ গুলি করে সীমান্তে পাঁচজন বাংলাদেশীকে হত্যা করেছে ও তিনজনকে আহত করেছে। পৃথিবীতে যুদ্ধাবস্থা ছাড়া সীমান্তে এই সংখ্যক নিরস্ত্র নাগরিক হত্যার আর কোন উদাহরণ নেই।

তবে এটাই শেষ নয়, গত এক সপ্তাহ থেকে বি এস এফ মারমুখি অবস্থায় রয়েছে। ১৫ই জানুয়ারি থেকে আজ পর্যন্ত বিএসএফের গুলিতে সীমান্তে বাংলাদেশের ৯ জন নাগরিক নিহত হয়েছে। সীমান্ত হত্যার অ্যাভারেজ সংখ্যা হিসেব করলে যা অস্বাভাবিক পরিমাণে বেশি।

সীমান্তে বাংলাদেশী হত্যার হার বেড়ে যাওয়ার সাথে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের পাকিস্তান সফরের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্পর্ক আছে, সোশ্যাল মিডিয়াতে অনেকেই মত দিচ্ছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের পাকিস্তান সফর ভারত একটি অস্বস্তিকর সিদ্ধান্ত হিসেবেই বিবেচনা করছে। এই পাকিস্তান সফরের সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত হয় গত ১৪ই জানুয়ারি। এর পর থেকেই অস্বাভাবিক হারে সীমান্ত হত্যা বাড়তে থাকে।

সীমান্তে চোরাচালান ও বাংলাদেশ থেকে কথিত অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বিতর্কিত শ্যূট-অ্যাট-সাইট (দেখামাত্র গুলি) নীতি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে বহাল আছে, যার প্রেক্ষিতে বিএসএফ কারণে কিংবা অকারণে বাংলাদেশি নাগরিককে গুলি করতে পারে।

আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে যাওয়া, হাট-বাজারে বিকিকিনি করা, এবং কাজ খোঁজার জন্য অনেক মানুষ নিয়মিতভাবে সীমান্ত পারাপার করে। এছাড়াও সীমান্তের শূন্যরেখার কাছে কৃষিজমিতে কৃষিকাজ কিংবা নদীতটে মৎস্য আহরণের জন্যও অনেক মানুষকে সীমান্তপথ অতিক্রম করতে হয়।

ভারতীয় সীমান্তরক্ষীদের বিরুদ্ধে ২০০০ সালের পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ১,৫০০ সাধারণ ও বেসামরিক বাংলাদেশি হত্যার অভিযোগ আছে। বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত এলাকায় গুলি চালনার পাশাপাশি বিএসএফ বাংলাদেশের নাগরিকদের আক্রমণাত্মক ভীতি প্রদর্শন, নিষ্ঠুরভাবে প্রহার এবং নির্যাতন করে।

ভারত তার সীমান্তে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করার অধিকার রয়েছে। কিন্তু ভারতের সীমান্ত রক্ষিদের সীমান্ত রক্ষার অজুহাতে প্রাণঘাতী বল ব্যবহার করার অধিকার নেই।

বাংলাদেশে ভারতের অনুগ্রহে টিকে থাকা ফ্যাসিস্ট সরকার দেশের নাগরিকের প্রাণ রক্ষায় কোন কুটনৈতিক তৎপরতাও নেয় না বরং আশ্চর্যজনক ভাবে নিজে দেশের নাগরিককে সরকার এবং বিজিবির তরফ থেকে দোষারোপ করা হয়।

লেখাটির ফেইসবুক ভার্সন পড়তে চাইলে এইখানে ক্লিক করুন

Print Friendly, PDF & Email
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Comment