International community should blacklist Chhatra League as a terrorist organisation

The student community across Bangladesh is up in arms against the increasing cases of rape committed by the leaders and members of Chhatra League, the student wing of the ruling Awami League party. Nurul Haq Nur, vice president of Dhaka University Central Students’ Union, is leading the student movement which is being supported by a huge number of students.


Now, the Chhatra League cadres have taken to the street and are threatening the students who are protesting against rape. Two years ago, Chhatra League cadres violently attacked school students while they were on a movement demanding safe roads.

Chhatra League president Al Nahian Khan Joy said: “You often ask, why Chhatraleague activists pick up arms. Chhatra League activists picked up arms also in 1971, during the Liberation War. Shall we sit quietly when the ghosts from Pakistan will keep implementing their agenda here? We cannot do that. We have a clear message towards all Chhatra League leaders and workers that wherever they find the Chhatra Shibir (student wing of the opposition BNP party) men and the rapists, they should beat them up. Pakistani agents have no place in Bangladesh.”

Sanjit Das, president of Chhatra League, Dhaka University unit, is well-known as a foot soldier of Hindutva politics in Bangladesh. Das was even more virulent in this issue.

Addressing the students who are protesting against rape, Das said: “I think you have not forgotten (how you all were beaten up during the safe road movement). Now you need the same sort of treatment again. Your attitude has been extremely audacious against our respectable Prime Minister Sheikh Hasina. We will trample and crush you at Shahbag, if we find you audacious in the same style again. We are not afraid of the administration or any media outlet.”

This Chhatra League leader is threatening that his organisation will trample and crush the protesters and they are not afraid of anyone. International human rights groups should identify Chhatra League, the student wing of the ruling party of Bangladesh, as a terrorist organisation. The international community should blacklist Chhatra League and should not issue visas to the terrorists and rapists of the organisation.

Manik, a Chhatra League leader, raped over 100 women in Bangladesh, before taking refuge in Italy. To escape public wrath the hardcore criminal fled Bangladesh. He went unpunished for his crimes and lived safely in the European country until his death about a decade ago. The West should be cautious before providing refuge or asylum to such criminals.

Click here to read the original Facebook post

সারা বাংলাদেশের ছাত্রসমাজ ছাত্রলীগের অব্যাহত নারী ধর্ষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের ভিপি নুরুল হক নুরের নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক ছাত্র এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছে।

এমন সময়ে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে খোদ ছাত্রলীগ পথে নেমেছে। উল্লেখ্য, দুই বছর আগে স্কুল ছাত্রদের নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সময়ে এরাই নির্মমভাবে স্কুল ছাত্রছাত্রীদের পিটিয়ে রক্তাক্ত করে আন্দোলনকে স্তব্ধ করে দিয়েছিলো।

ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেছে, “আপনারা বলেন ছাত্রলীগ কেন অস্ত্র তুলে নেয়? ১৯৭১ সালে কিন্তু ছাত্রলীগ অস্ত্র তুলে নিয়েছিল। এখন পাকিস্তানের প্রেতাত্মারা তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করবে, আর আমরা বসে থাকব? কখনোই না। আমরা সারা দেশে নেতা-কর্মীদের বলে দিতে চাই, যেখানেই ওই শিবির গংদের পাবেন, যেখানেই ধর্ষকদের পাবেন সেখানেই গণধোলাই দেবেন। বাংলাদেশে কোনো পাকিস্তানি এজেন্টদের স্থান নাই।”

ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি সনজিত দাস, যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির ফুট সোলজার হিসেবে পরিচিত, সে আরো এক কাঠি উপরে উঠে বলেছে,

“আমি তাদের বলতে চাই, আপনারা হয়ত ভুলে যান নাই, হয়ত পিটনা হজম হয়ে গিয়েছে। আবার সময় এসেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে যে ধৃষ্টতা আপনারা দেখিয়েছেন, সেই ধৃষ্টতার সীমা লংঘন করেছেন আপনারা। এর পরে কোনো ধৃষ্টতা দেখালে এই শাহবাগে আপনাদের পাড়াইয়া পিষিয়ে ফেলব। কোনো ধরণের প্রশাসন, কোনো ধরণের মিডিয়াকে আমরা ভয় পাই না।”

ছাত্রলীগের নেতারা নিজেরাই বলছে এরা কাউকে পিষিয়ে ফেলতে কাউকে ভয় পায়না। আমি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ছাত্রলীগ নামের এই সংগঠনকে মানবতা বিরোধী ও সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করার জন্য। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহবান জানাচ্ছি ছাত্রলীগের সাথে যুক্ত সন্ত্রাসী ও ধর্ষকদের আপনাদের দেশের ভিসা দেবেন না।

ধর্ষণের শততম জয়ন্তী উদযাপন করা ছাত্রলীগ নেতা মাণিক বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে গিয়ে ইতালিতে আমৃত্যু নিরাপদে ছিলো। এমন বর্বরেরা ভালো মানুষ সেজে পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে জনরোষ থেকে বাঁচতে পশ্চিমে আশ্রয় নেয়। পশ্চিম যেন এই বদমায়েশগুলোকে কোনভাবে তাদের সভ্য দেশে আশ্রয় না দেয় সেই আহবান জানিয়ে যাই।

লেখাটির ফেইসবুক ভার্সন পড়তে চাইলে এইখানে ক্লিক করুন

Share

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Feeling social? comment with facebook here!

Subscribe to
Newsletter