Journalists reporting against the establishment continue to face persecution

In the past few days, we have seen two cases in which journalists were tortured. One photojournalist became a victim of enforced disappearance. In the other case, a journalist was abducted from his home in the middle of the night and tortured by the private militia of a deputy commissioner or, the chief administrator of a district, for publication of a report that showed the senior government official in a poor light.

The name of the photojournalist who has disappeared is Shafiqul Islam Kajal. He worked as a photojournalist for the “Banik Barta”, a Bengali language newspaper, apart from editing “Pakkhokaal”, a fortnightly newspaper. He was also known for his Facebook posts criticising the state, government and the social system. “Kajal Fakir” was the title of his Facebook account. Kajal has not returned since he left home on March 10, his family members reported.

A day before Kajal disappeared, Saifuzzaman Shikhar, an MP of the ruling Awami League party, filed a suit against 32 people, including Kajal, under the controversial Digital Security Act. Matiur Rahman, the editor of the popular Bengali language daily Manavzamin, was also sued in the case.

Manavzamin published a report revealing how Shamima Noor Papia, a leader of Jubo Mohila League or, the young women’s wing of the ruling Awami League party, rented a suite in a five-star hotel and ran a brothel there to cater to the rich and powerful people.

Many political leaders, businessmen and bureaucrats were her clients. Manavzamin published an exposé revealing the details of the clients of Papia. However, that report did not carry the name of MP Shikhar.

In the other incident, Ariful, a journalist in Kurigram was targeted by the local deputy commissioner (DC). The journalist reported in the media how the DC unethically named a pond under her name. The enraged DC sent some members of a private militia in the name of a mobile court to the residence of the journalist. The men broke into Ariful’s house, beat him up charging, “You are troubling (the DC) a lot”, before abducting him.

They took blindfolded Ariful to an unknown place and asked him to read out the Kalima, because, they said, they would shoot him in as fake crossfire. However, somehow they changed their plan and brought him to the office of the DC. He was then unclothed and bashed up badly.

The state machinery in Bangladesh has turned into mafia system. These mafias are running an unpopular government. One of the culprits who has filed the suit against the journalists is an MP who got elected through a general election massively rigged by her party. The other culprit, who is a DC, happens to be a member of the gang of bureaucrats who helped the ruling party rig the election. These powerful people are ruining the nation. They think they own the landmass called Bangladesh.

Will the international community remain silent spectators as 180 million people suffer being trapped inside a failed nation? Should the world not take any initiative to see that a free and fair general election is held in Bangladesh so that the people can elect a government they want? People in the country will not be able to escape the miseries unless the international community intervenes in a proactive move.

Click here to read the original Facebook post

বাংলাদেশে গত কয়েকদিনে সাংবাদিক নির্যাতনের দুইটি ঘটনা ঘটেছে। একজন ফটো সাংবাদিককে গুম করা হয়েছে। এবং কুড়িগ্রামের ডেপুটি কমিশনারের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করায় ডেপুটি কমিশনার প্রাইভেট বাহিনী দিয়ে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিককে রাতে বাসার দরজা ভেঙ্গে তুলে নিয়ে গেছে।

গুম হওয়া ফটো সাংবাদিকের নাম শফিকুল ইসলাম কাজল, তিনি ‘পক্ষকাল’ নামে একটি পত্রিকা সম্পাদনা করতেন ও বণিক বার্তায় ফটো সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কাজল ফকির নামে একটি একাউন্ট থেকে রাষ্ট্র, সরকার ও সমাজ ব্যবস্থার সমালোচনা করে নানা পোস্ট দিতেন তিনি৷ তার পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ১০ মার্চ বাসা থেকে বের হয়ে তিনি আর ফিরে আসেননি৷

কাজল নিখোঁজ হওয়ার আগের দিন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান শিখর মানবজমিন সম্পাদক মতিউর রহমানসহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা করেন৷ ওই মামলায় তিন নাম্বার আসামি ছিলো কাজল৷

মানবজমিন কারাগারে আটক যুব মহিলালীগ নেত্রী শামিমা নূর পাপিয়া যিনি সরকার দলীয় যুব সংগঠনের নেত্রি ছিলেন এবং পাচতারা হোটেলের রুম ভাড়া নিয়ে পতিতালয় চালাতেন এবং ক্ষমতাবানদের যৌন বিনোদোনের খোরাক যোগাতেন, তাকে নিয়ে একটা রিপোর্ট ছাপে। রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী ও আমলারা তার খদ্দের ছিলো। এই পাপিয়ার সঙ্গে বিভিন্ন ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা নিয়ে দৈনিক পত্রিকা মানবজমিনে সেই খবর প্রকাশে ক্ষুব্ধ হয়ে মাগুরা-১ আসনে আওয়ামী লীগের এমপি সাইফুজ্জামান শিখর ঢাকার শেরেবাংলা নগর থানায় মামলাটি করেন৷ গত ৯ মার্চ কাজল তার ফেসবুকে মানবজমিনের খবরটি শেয়ার করেছিলেন৷ উল্লেখ্য সেই সংসদের নাম অবশ্য প্রকাশিত সংবাদটিতে ছিলোনা।

আরেকটি ঘটনায় কুড়িগ্রামের সাংবাদিক আরিফুল পাব্লিক স্থাপনা কুড়িগ্রামের ডেপুটি কমিশনারের নিজের নামে নামকরণ করা নিয়ে রিপোর্ট করেছিলো। এই ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে ডেপুটি কমিশনার মোবাইল কোর্টের নামে বেআইনি প্রাইভেট বাহিনী পাঠিয়ে আরিফুলকে রাতে দরজা ভেঙ্গে মারতে মারতে তুলে নিয়ে যায়। প্রাইভেট বাহিনীর লোকজনেরা দরজা ভেঙে হুড়মুড় করে ঘরে ঢুকে ‘তুই খুব জ্বালাচ্ছিস’ বলে আরিফুলকে পেটাতে থাকে। একপর্যায়ে কয়েকজন মিলে টেনেহিঁচড়ে আরিফুলকে তুলে নিয়ে যায়। তাঁকে জামাও পরতে দেয়নি।

আরিফুলকে তুলে নিয়ে নির্জন স্থানে নিয়ে চোখ বেধে ক্রসফায়ারে ফেলা হবে বলে জানানো হয় এবং তাঁকে কলেমা পড়ে নিতে বলা হয়। এরপরে তাকে প্রাণে না মেরে ডেপুটি কমিশনার অফিসে নিয়ে উলঙ্গ করে পিটানো হয়।

বাংলাদেশের পুরো রাষ্ট্র যন্ত্র মাফিয়া তন্ত্রে পরিণত হয়েছে। এই মাফিয়ারা নিকৃষ্ট ধরণের ক্ষমতা চর্চা অব্যাহত রেখেছে। একজন প্রতারণার নৈশ ভোটে জিতে আসা সংসদ সদস্য আরেকজন এই নৈশ ভোটে সহায়তা দেয়া আমলা। এরা সবাই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে রাষ্ট্রকে ধ্বংস করে বাংলাদেশ নামের ভূখণ্ডকে নিজের বাপের তালুক বানিয়ে ফেলেছে।

সারা বিশ্বের জনগন কি ১৮ কোটি জনগণের এমন একটা ব্যর্থ রাষ্ট্রকে নিয়ে চলতে চায়? নাকি বাংলাদেশের জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধির হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য একটা আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে নির্বাচনের জন্য ব্যবস্থা নিতে চায়, তা আমরা বাংলাদেশের জনগণ জানতে চাই। একমাত্র আন্তর্জাতিক সাহায্যই বাংলাদেশকে এই দুরবস্থা থেকে রক্ষা করতে পারে।

লেখাটির ফেইসবুক ভার্সন পড়তে চাইলে এইখানে ক্লিক করুন

Share

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Feeling social? comment with facebook here!

Subscribe to
Newsletter