September 23, 2020

A member of Jatiya Party, an opposition party in Bangladesh, has voiced a proposal in the parliament that rapists be killed in “crossfire”, a euphemistic term for extrajudicial killing in the country. A senior leader of the ruling Awami League party has supported the proposal.

Jatiya Party MP and former junior minister Mujibul Haque Chunnu said in the parliament on Tuesday that the cases of rape was spiraling across the country and extrajudicial killing of the “rapists” was the best way to curb the crime. The MP said: “So many people are being killed in crossfire in the anti-drug operation. I will tell the home minister that I don’t know why none has been shot dead in identical crossfire for the crime as heinous as rape. The situation cannot be brought under control unless the government takes issue seriously and acts against it, I will inform the government.”

Kazi Firoz Rashid, another Jatiya Party MP, noted that the judicial process in Bangladesh is tediously slow and supported the proposal of Mr Chunnu.

The Jatiya party leaders even criticised the human rights organisations. Kazi Rashid said in the parliament: “There are some human rights groups who talk about democracy and rule of the law. Because of them no rapist will face the gallows and none will face punishment or be jailed. Years will go by. People will forget the cases. ‘Encounter is must’, if you want to make the society free from rape. They should be shot dead.”

Kazi Rashid said towards the human rights activists: “I wonder how you would have reacted if your wife, sister, mother or you became a victim of rape. We want an instant justice for such criminals.”

Kazi Rashid added: “We would like to send out a stern message right now in such a way that no rapist dares to repeat the crime. You may send an accused to trial. Years after, he may be hanged following a death sentence. But, people usually lose track of such cases. It’s best, if we can bring the culprit to justice within two or three weeks after he has committed the crime. What is the justice in the case of such crime? Killing him in an encounter is the only punishment for such a criminal. Incidents of rape will stop after 10 or 20 rapists have been shot dead. Simply speaking, let police shoot the men dead. And, let people see their dead-bodies lying around.”

Senior Awami League leader and minister Tofail Ahmed supported the demand of the two Jatiya Party MPs.

“…if we can take instant actions through ‘crossfire’ while fighting the drug menace, why cannot we follow the same process in the case of rapists?” Mr Ahmed asked.

Syed Nazibul Bashar Maizbhandary, president of Bangladesh Tarikat Federation, said: “Chunnu and Kazi Kazi Firoz Rashid are right. Those who will kill these rapists in cross fire will be bound for heaven.”

The government has admitted that its forces are involved in extrajudicial killings in the name of crossfire and that they conduct such operations following instructions from the parliament members. Several hundred people have been killed in Bangladesh during the anti-drug operations. These were all extrajudicial killings.

These members of the parliament were elected through a bogus general election massively rigged by the ruling Awami League party. So, it is not surprising to find why these MPs in the parliament openly give call in support of such level of human rights violations. Now we have a question. Should the international community not raise any voice of protest against a parliament where its members openly advocate serious level of human rights violations like extrajudicial killings.

It is difficult to find a second country in the civilized world where the lawmakers openly call for extrajudicial killings as a solution to a social crisis.

Click here to read the original Facebook post

বাংলাদেশের বিরোধী দল জাতীয় পার্টির একজন সদস্য সংসদে প্রস্তাব তুলেছেন যে ধর্ষকদের ক্রসফায়ারে দিতে হবে। তার পাশাপাশি আওয়ামী লীগের একজন জ্যেষ্ঠ নেতাও ধর্ষককে ক্রস ফায়ারে দেয়ার দাবীত সমর্থন জানিয়েছেন।

জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু গত সপ্তাহে জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় দেশে ধর্ষণের ঘটনা বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে ‘ধর্ষকদের’ বিচার ছাড়াই হত্যার ওই প্রস্তাব করেন।

এক্ষেত্রে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানে ‘ক্রসফায়ারে’ নিহত হওয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলব, আপনার সরকার, মন্ত্রণালয় এত ঘটনা ঘটছে মাদকের জন্য এত ক্রসফায়ার হচ্ছে সমানে বন্দুকযুদ্ধে মারা যায়, ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ, জঘন্য ঘটনার জন্য কেন একটা বন্দুকযুদ্ধে মারা যায় নাই, আমি জানি না। সরকারের কাছে অনুরোধ থাকবে, এই বিষয়টা সরকার যদি গুরুত্ব দিয়ে ব্যবস্থা না নেয় তাহলে কোনোক্রমেই এটা কন্ট্রোল হবে না।”

মুজিবুল হক চুন্নুর এই প্রস্তাব সমর্থন করে তার পক্ষে যুক্তি হিসেবে বাংলাদেশে বিচারে দীর্ঘ সময় লাগার কথা তুলে ধরেন জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ।

এমনকি মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সমালোচনা করেও ফিরোজ রশীদ বলেন, “আমাদের কিছু লোক আছে, মাননীয় স্পিকার বলতে বাধা নেই, মানবাধিকার সংগঠন। তারা বলে গণতন্ত্র, আইনের শাসন- এই ধর্ষকদের কী আইন আপনি করবেন? তার কোনো ফাঁসি হবে না, জেলও হবে না এক সময় এক বছর পর বেরিয়ে যাবে, কেউ খবরও রাখবে না। একমাত্র এই মুহূর্তে যদি এই সমাজকে ধর্ষণমুক্ত করতে চান, তাহলে ‘এনকাউন্টার মাস্ট’। তাকে গুলি করে মারতে হবে।”

মানবাধিকার কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আমি মানবাধিকার কর্মীদের বলব, আপনারা যদি ধর্ষণের শিকার হতেন, আপনার স্ত্রী, আপনার মা, আপনার বোন, আপনার কেউ যদি ধর্ষণের শিকার হত, কী হত? আমরা কী চাই? আমরা চাইছি, এই সংসদ আমরা মনে করি যে, এদের তড়িৎ বিচার (করতে হবে)।“

ফিরোজ রশীদ আরও বলেন, “এই মুহূর্তে চাই, এখান থেকে এই মেসেজটা দিতে চাই, আমরা এমনভাবে বলতে চাই আর কোনো ধর্ষক যেন সাহস না পায়। কারও যদি ফাঁসি হয় কেউ খবর রাখে না। এখনই যদি এক সপ্তাহ দুই সপ্তাহ তিন সপ্তাহের মধ্যে যদি বিচার করতে পারি, বিচার কী? একমাত্র শাস্তি এনকাউন্টারে মেরে ফেলা। ১০টা ২০টা মারা হোক ধর্ষণ বন্ধ হয়ে যাবে। স্পষ্ট বলতে চাই, একমাত্র ওষুধ পুলিশ ধরার পর ওখানে নিয়ে গুলি করে মারুক। দেখুক তার লাশ পড়ে আছে।”

পরে আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতা সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদও জাতীয় পার্টির এই দুই আইনপ্রণেতার বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের দাবির প্রতি সমর্থন জানান।

“যদি আমরা মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানে অভিযুক্তদের ক্রসফায়ারে দিতে পারি তো ধর্ষকদের ক্ষেত্রে একই পথ নিতে অসুবিধা কি?” তোফায়েল আহমেদ বলেন।

তরিকত ফেডারেশনের নজিবুল বশর মাইজভান্ডারি বলেন, “চুন্নু ও কাজী ফিরোজ রশীদ যে কথা বলেছেন, আমি টুপি দাঁড়ি মাথায় নিয়ে আল্লাহকে হাজির নাজির জেনে বলছি, এদের ক্রসফায়ার করলে বেহেস্তে যাওয়া যাবে কোনো অসুবিধা নাই।”

সরকার স্বীকার করেছে, তারা ক্রস ফায়ারের নামে বিচার বহির্ভূত হত্যা করে এর সাথে এতাও স্বীকার করেছে সংসদ সদস্যদের পরামর্শে বিচার বহির্ভূত হত্যা হয় এমনকি মাদক বিরোধী অভিযানে ঘটা ক্রস ফায়ারের ঘটনা বিচার বহির্ভূত হত্যাই ছিলো।

নৈশ ভোটের সংসদে যেখানে জনগণের ভোটের অধিকার ছিনিয়ে নিয়ে প্রতারণার সংসদ গঠন করা হয়েছে। সেখানে এমন মানবাধিকার লঙ্ঘনের কথা আলাপ হবে এ আর বিচিত্র কী? কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এমন একটা রাষ্ট্রকে কি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মেনে নেয়া উচিত যে জাতীয় সংসদে বিচার বহির্ভূত হত্যার মতো মানবাধিকার লঙ্ঘনের পক্ষে ওকালতি করে?

দেশের আইন প্রণেতারা বিচার বহির্ভূত হত্যাকেই সমস্যার একমাত্র সমাধান বলে মনে করছে এমন রাষ্ট্র আরেকটা সম্ভবত সভ্য দুনিয়ার কোথাও নাই।

লেখাটির ফেইসবুক ভার্সন পড়তে চাইলে এইখানে ক্লিক করুন

Add comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *