Many doctors don’t have PPEs, but so-called progressive class people are using them to distribute relief

Across the world, there is a severe shortage of personal protective equipment (PPE) among the health care workers now. Many doctors taking care of COVID-19 patients got infected and some even died from the infection. In this global scenario, the so-called progressive non-medical people in Bangladesh are using PPEs while distributing relief among people suffering because of the COVID-19 lockdown. And, when they are distributing relief they certainly do not miss a photo opportunity involving themselves.

These people describe themselves as scientific. But they never look into any subject from a scientific point of view. Unfortunately, most of these so-called progressive people are anti-people, exhibitionist, outdated and reactionary by nature.

In Bangladesh, at least 800 million people need relief during the current crisis triggered by the outbreak of COVID-19. It is not possible for an individual, organisation or a platform of several organisations to provide relief to such a huge population. Only the state can meet or organize such a massive relief mission. But, the government has not engaged the state agencies to dole out the relief. But, some pro-government individuals are providing relief just to some small groups of people and they are trying to cover up the government’s failure to manage the crisis.

Click here to read the original Facebook post

সারা দুনিয়াতে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী নিয়ে যখন হাহাকার, স্বাস্থ্য কর্মীরা যখন মাস্ক পর্যন্ত পাচ্ছেনা, ডাক্তারেরা পিপিই ছাড়া করোনা রোগীদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে, তখন বাংলাদেশের প্রগতিশীল বলে দাবীদারেরা যাদের চিকিত্সাজনিত কাজকর্মের সাথে কোনো সম্পর্কই নাই তারা পিপিই পরে ত্রাণের কাজ করছে। অবশ্য ত্রাণের কাজ করার সময় তারা ফটো সেশন করতে ভুলে যাচ্ছে না।

এরা নিজেদের বিজ্ঞানমনস্ক বলে দাবী করে কিন্তু এরা বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতে কিছুই দেখেনা।

দুর্ভাগ্যজনকভাবে বাংলাদেশে যারা নিজেদের প্রগতিশীল বলে পরিচয় দেয় তাদের বেশীরভাগই গণবিরোধী, প্রদর্শনবাদী, অনাধুনিক, প্রতিক্রিয়াশীল।

বাংলাদেশে প্রায় সাড়ে আট কোটি মানুষের ত্রাণ লাগবে এবং এটা কোনভাবেই ব্যক্তি বা বেসরকারি কোন সংগঠন বা সংগঠনগুলোর জোটের পক্ষে সন্মিলিতভাবেও দেয়া সম্ভব নয়। একমাত্র রাষ্ট্রই পারে এই বিপুল সাহায্যের সংস্থান করতে। সরকারকে ত্রাণের ব্যবস্থা করতে বাধ্য করার বদলে এরা মুস্টিমেয় কয়েকজনকে লোক দেখানো ত্রাণ দিয়ে ব্যর্থ সরকারকে অদক্ষতা ও ব্যর্থতা থেকে দায়মুক্তি দেয়ার কাজেই ব্যস্ত থাকছে।

লেখাটির ফেইসবুক ভার্সন পড়তে চাইলে এইখানে ক্লিক করুন

Share

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Feeling social? comment with facebook here!

Subscribe to
Newsletter