Members from top Awami family collaborated with Pakistani Army during the Liberation War

There is an Awami League narrative of the party’s role in the Liberation War. But it will not let you know the nasty roles many members of the Awami family played during the war.

Let us take a look at the history of famous guerilla group of Crack Platoon that played a key role during the Liberation War. Let us discuss how the family of top Awami League leader and former President of Bangladesh Zillur Rahman helped in the elimination of Crack Platoon during the war.

Crack Platoon became known for its guerilla attacks on Pakistani troops and their local partners during the war. Consisting of young fighters, Crack Platoon became known as a legendary guerilla force. For its “hit-and-run” style of stealthy attack‌ the group struck terror among the Pakistani enemy force. Inspired by Crack Platoon, Humayun Ahmed made the movie of Aguner Parashmoni.

Pakistani raiders picked up Crack Platoon guerilla fighter Bodi from the Dhanmondi residence of Dhaka College principal Prof Jalaluddin on August 21, 1971. That day Rumi, Azad, Jewel, Masud, Sadek and some other Crack Platoon fighters got apprehended too. Nine among them were martyred and the heroic fight of the guerilla group in the Liberation War came to an end. Bodi, who remained untraced, was later given the gallantry award of Beerbikram.

It’s interesting to know who Prof Jalaluddin was. He was the father-in-law of Zillur Rahman, father of Awami League leader Ivy Rahman and maternal grandfather BCB chief Nazmul Hassan Papon.

On August 21, 1971, Bodi was playing cards at the Dhaka residence of Prof Jalaluddin. Suddenly, Farid, Prof Jalaluddin’s son, left the place. He returned after some time with some Pakistani soldiers. The soldiers whisked Bodi away. Farid conspired with the Pakistani Army and helped them catch hold of Bodi and other Crack Platoon guerilla fighters. I have herewith attached the interview of former Crack Platoon guerilla Beer Pratik Habibul Alam to help you understand how Ivy Rahman’s brother Farid conspired with the Pakistani force.

Since Farid collaborated with the Pakistani Army he should have been tried under the Collaborators’ Act in Bangladesh. But Awami League-led government never bothered to view or try Farid as a collaborator, although he was responsible for the killing of several Crack Platoon fighters. There is no doubt that senior Awami League leader and former President Zillur Rahman and his wife Ivy Rahman, who was a leader of the party too, used their influence and saved Farid from being tried under Collaborators’ Act.

In 1991, when BNP was in power, Jahanara Imam, mother of martyred Crack Platoon fighter Rumi, launched the movement of Ghatak Dalal Nirmool Committee, joining hands with Awami League and the Leftist parties. The committee sought trial and punishment of all those who had collaborated with the Pakistani forces during the Liberation War. Very strangely, Jahanara Imam never sought the trial of Farid, who was responsible for her son’s arrest and murder. The history of Bangladesh is really complicated.

Click here to read the original Facebook post

আওয়ামী লীগ তাদের মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা নিয়ে জাতিকে নানা ইতিহাস শোনায়। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধে তাদের পরিবারের ন্যক্কারজনক ইতিহাস জাতির কাছ থেকে তারা লুকিয়ে রাখে।

আসেন এই বিষয়ে আমরা মুক্তিযুদ্ধের সময়ে ঢাকার বিখ্যাত গেরিলা দল ক্র্যাক প্লাটুনের ইতিহাস দেখি। এই গেরিলা দল ধংসের জন্য আওয়ামী শীর্ষ নেতা জিল্লুর রহমান যিনি আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় প্রধান নেতা ছিলেন এবং আওয়ামী লীগ মনোনীত রাষ্ট্রপতিও ছিলেন তার পরিবার কীভাবে ষড়যন্ত্র করেছিলো সেটাও আমরা পর্যালোচনা করি।

ক্র্যাক প্ল্যাটুন ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও তাদের দোসরদের বিরুদ্ধে ঢাকা শহরে গেরিলা আক্রমণ পরিচালনাকারী একদল তরুণ মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত দল, যাঁরা তৎকালীন সময় একটি কিংবদন্তিতে পরিণত হয়েছিল। এই গেরিলা দলটি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে “হিট এন্ড রান” পদ্ধতিতে অসংখ্য আক্রমণ পরিচালনা করে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর মধ্যে ব্যাপক ত্রাসের সঞ্চার করেন। ক্র্যাক প্ল্যাটুন গল্পে অনুপ্রাণিত হয়েই হুমায়ুন আহমেদ ‘আগুনের পরশমনি’ সিনেমাটি তৈরি করেন।

১৯৭১ সালের ২১ আগস্ট ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর জালালউদ্দিনের ধানমণ্ডি বাসা থেকে ক্র্যাক প্ল্যাটুনের অন্যতম গেরিলা যোদ্ধা বদিকে ধরে নিয়ে যায় পাকা হানাদার বাহিনী। সেইদিনই ধরা পড়েন রুমী, আজাদ, জুয়েল, মাসুদ সাদেকসহ ক্র্যাক প্ল্যাটুনের অনেক সদস্য। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে নয়জন শহীদ হন। এভাবেই ক্র্যাক প্ল্যাটুনের বীরত্বপুর্ণ লড়াইয়ের এক গৌরবময় অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটে। পরবর্তীতে বদির কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি। তাকে বীরবিক্রম উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে।

প্রফেসর জালালউদ্দিন কে ছিলেন?

তিনি ছিলেন প্রয়াত সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের শ্বশুর, প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভি রহমানের বাবা ও বিসিবির বর্তমান প্রধান নাজমুল হক পাপনের নানা।

ওইদিন বদি কীভাবে ধরা পড়লো?

বদি জালালউদ্দিন সাহেবের বাসায় তাস খেলছিলেন। খেলার একপর্যায়ে জালালউদ্দিন সাহেবের ছেলে ফরিদ ঘর থেকে বেরিয়ে যায় এবং কিছুক্ষণ পর বেশ কিছু পাকিস্তানী সেনা নিয়ে ফিরে আসে। ওই সেনারা সাথেসাথেই বদিকে তুলে নিয়ে যায়।

ফরিদ পাকিস্তানী আর্মির সাথে ষড়যন্ত্র করে বদিকে ধরিয়ে দিয়েছিলো। সে আর্মিকে আগেই খবর দিয়েছিলো শুধু তাই নয়, তাদের বাসায় এনে বদিকে চিনিয়ে দিয়েছিলো। ক্র্যাক প্ল্যাটুনের গেরিলা বীর প্রতীক হাবিবুল আলমের সাক্ষাতকার এই পোষ্টের সাথে যুক্ত করে দিলাম। সেইখানে জিল্লুর রহমানের শ্যালকের এবং আইভি রহমানের ভাই ফরিদের পাকিস্তানী আর্মির হয়ে দালালির প্রমাণ পাবেন।

এখন কথা হচ্ছে ফরিদ তো কলাবোরেটরস অ্যাক্টের সংজ্ঞা অনুযায়ী পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর কলাবোরেটর ছিলো। কিন্তু তার কি কোন বিচার করেছিলো আওয়ামী লীগ সরকার? যার দালালির কারণে এতোগুলো বীর যোদ্ধার প্রাণ গেলো তাকে দালালির অভিযোগে বিচারের হাত থেকে বাঁচিয়েছিলো কে? নিঃসন্দেহে জিল্লুর রহমান ও আইভি রহমান।

শহীদ রুমির মা জাহানারা ইমাম একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময়ের দালালদের নির্মুলের জন্য “একাত্তরের ঘাতক ও দালাল নির্মুল কমিটি” গঠন করে আওয়ামী লীগ ও বাম দলগুলোকে সাথে নিয়ে ১৯৯১ সালে বিএনপির আমলে আন্দোলন শুরু করেন।

জাহানারা ইমাম একাত্তরের ঘাতক ও দালালদের বিচারের জন্য তাদের নির্মূলের জন্য আন্দোলন করেছেন তাদেরই সাথে যেই দলের শীর্ষ নেতাদের ভাই ও শ্যালকের দালালির জন্য তাঁর সন্তানকে শহীদ হতে হয়েছিলো। শুধু তাই নয়, তিনি ঘুণাক্ষরেও সেই দালাল ফরিদ কেন কীভাবে বিচারের বাইরে থাকলো সেই প্রশ্ন তোলেন নি। বাংলাদেশের ইতিহাস বড়ই জটিল।

লেখাটির ফেইসবুক ভার্সন পড়তে চাইলে এইখানে ক্লিক করুন

https://m.priyo.com/articles/একাত্তরের-গেরিলা-হাবিবুল-আলম-বীর-প্রতীক

Share

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Feeling social? comment with facebook here!

Subscribe to
Newsletter