Murder-convict Awami League leader commits murder again after President grants him pardon

In 2015, following a political consideration, President of Bangladesh granted pardon to former Sadarpur upazila Jubaleague president Aslam Fakir, who had been awarded death sentence. Three years after he was granted the presidential pardon, Fakir has returned to politics and been charged again as the main accused in a case of murder.

Kazi Jafarullah, a senior Awami league leader and former MP, helped Fakir to come out of the prison, apart from helping him escape the death sentence. In the case of the latest killing too, Kazi Jafarullah used his influence attempting to keep Fakir away from the police dragnet.

The home minister said in the parliament that between 1972 and 2011, the President granted pardon to 25 persons who had been awarded death sentences. Between 2008 and 2010, during the regime of Awami League, 21 persons were granted pardon. Among 25 who were granted pardon in 40 years 21 were during the regime of Awami League.

We do not know how many death row convicts have been granted pardon since 2012, while Awami League has been in power. However, in the case of justice of the war criminals and killers of Sheikh Mujib the ruling Awami League party has not spared its political rivals. Undoubtedly, death sentence is an inhuman and brutal punishment and should be discontinued. Awami League certainly made the arrangement of Fakir’s presidential pardon and release from the prison. We can blame the ruling party for the murder Fakir has committed now.

The ruling party leaders and workers often face criminal cases for various types of offences they commit. Using pressure they force police to withdraw the cases. They also get the cases against them dismissed in the court, using their influence.

When the caretaker government was in power, six corruption or extortion-related cases were filed against Sheikh Hasina. After the Awami League came into power, the plaintiffs withdrew four of the cases. And, two other cases were dismissed by the High Court.

During the period of the last caretaker government, some cases were filed against the politicians of different parties. After Awami League came into power, the government set up a committee to review the cases. The committee recommended withdrawal of all cases against Sheikh Hasina. However, the committee did not recommend withdrawal of the cases which were filed against Khaleda Zia during the period of the caretaker government. Khaleda Zia was convicted and jailed in one of those cases.

Life convict Awami League leaders and activists are also granted presidential pardon. The President granted pardon to Jubaleague leader and well-known terrorist Tofayel Ahmed or Joseph, who happens to be the younger brother of the current chief of army. The entire process of the granting of the pardon to Joseph was conducted under tight secrecy. Joseph fled Bangladesh as soon as he was pardoned and released from the jail.

According to Section 49 of the Constitution of Bangladesh, President have the “power to grant pardons, reprieves and respites and to remit, suspend or commute any sentence passed by any court, tribunal or other authority.” The President used his power to grant pardon only in the cases of the Awami hoodlums.

Aslam Fakir has been involved in a second murder after the President granted him the pardon. Will the President own up to his mistake and take responsibility for the ghastly crime Fakir has committed?

Click here to read the original Facebook post

রাজনৈতিক বিবেচনায় ২০১৫ সালে ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি আসলাম ফকিরের ফাঁসির সাজা মওকুফ করেছিলেন রাষ্ট্রপতি। মুক্ত হওয়ার তিন বছর পর আবারও রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে আরেকটি হত্যা মামলার প্রধান আসামি হয়েছে আসলাম ফকির।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ফরিদপুর-৪ আসনের সাবেক সাংসদ কাজী জাফরউল্যাহর সহযোগিতায় আসলাম ফকির শুধু ফাঁসির সাজা থাকে রক্ষা পাননি, মুক্তি পেয়েছেন কারাগার থেকেও। এই হত্যা মামলাতেও কাজী জাফরউল্যাহ পুলিশকে আসলাম ফকিরের বিরুদ্ধে মামলা না নিতে চাপ প্রয়োগ করেছিলেন।

জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগেরই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, স্বাধীনতার পর (১৯৭২ থেকে ২০১১ পর্যন্ত) মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত মোট ২৫ জন রাষ্ট্রপতির ক্ষমা পেয়েছেন। এর মধ্যে ৯৮৭ সালে একজন, ২০০৫ সালে দুজন, ২০০৮ সালে একজন, ২০০৯ সালে একজন, ২০১০ সালে ১৮ জন এবং ২০১১ সালে দুজন। এই হিসাব অনুযায়ী দেখা যায়, ওই ৪০ বছরে ২৫ জন ক্ষমা পেলেও, ২০০৮ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে, যখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ছিলো, তখন রেকর্ড ২১ জন ক্ষমা পেয়েছেন। অর্থাৎ, এই হিসাব অনুযায়ী স্বাধীনতার পর থেকে ক্ষমা পাওয়া ২৫ জনের মধ্যে একুশ জনই আওয়ামী লীগের আমলে ক্ষমা পেয়েছে।

২০১২ সাল থেকে এ পর্যন্ত মোট কতজন ক্ষমা পেয়েছে সেটার কোন হিসাব নেই। তবে এটা নিশ্চিত, যুদ্ধাপরাধীর বিচার এবং শেখ মুজিবের হত্যাকারীর ফাঁসীর প্রশ্নে আওয়ামী লীগ তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে একটুকুও ছাড় দেয়নি।

ফাঁসি একটি অমানবিক ও বর্বর শাস্তি। অবশ্যই এটা বন্ধ হওয়া উচিত। কিন্তু নিজ দলের দাগী আসামীকে ক্ষমা করে কারাগার থেকে মুক্তি দিয়ে আবারো তাকে আরেকটি খুন করার সুযোগ করে দেয়ার দায় অবশ্যই শাসক দলের।

শাসক দল নিজেদের বিরুদ্ধে হওয়া মামলা হয় চাপ দিয়ে প্রত্যাহার করিয়ে নেয় বা হাইকোর্ট থেকে খারিজ করিয়ে নেয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ছটি দুর্নীতি বা চাঁদাবাজির মামলা হয়েছিলো। চাঁদাবাজির অভিযোগ সম্পর্কিত চারটি মামলায় বাদি যারা ছিলেন, তারা আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর মামলাগুলো প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।বাকী দুটি দুর্নীতির অভিযোগ সম্পর্কিত মামলাই হাইকোর্ট থেকে বাতিল বা খারিজ হয়ে গেছে।

বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা করা হয়েছিল, এই অভিযোগে সে সব মামলা প্রত্যাহারের জন্য আওয়ামী লীগ সরকার একটি কমিটি গঠন করে। সেই কমিটিও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে সব মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছিল। অথচ একই সময়ে হওয়া খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে হওয়া রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার হয়নি এবং সেই মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা হয় এবং তিনি জেল খাটেন।

শুধু ফাঁসির আসামীই নয়। ক্ষমতাবানদের সাথে সংশ্লিষ্ট যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত নিজ দলের আসামীরাও রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় মুক্তি পায়। যেমন যুবলীগ নেতা শীর্ষ সন্ত্রাসী তোফায়েল আহমেদ ওরফে জোসেফ যে কিনা বর্তমান সেনাপ্রধানের ছোট ভাই সেও রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় মুক্তি পায়। কঠোর গোপনীয়তার মধ্যে তাঁর সাজা মওকুফ করা হয়। ছাড়া পেয়েই গোপনে দেশ ছাড়ে জোসেফ।

বাংলাদেশ সংবিধানের ধারা ৪৯ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত যে কোনো দণ্ডের মার্জনা বিলম্বন ও বিরান মঞ্জুর করার ক্ষমতা রাখেন এবং এই ক্ষমতা রাষ্ট্রপতি তার দলীয় দুর্বৃত্তদের সাজা মউকুফের জন্যই শুধুমাত্র ব্যবহার করেছেন।

আসলাম ফকিরের ক্ষমা পেয়ে দ্বিতীয় খুনে লিপ্ত হওয়ার দায় যিনি তাকে ক্ষমা করেছিলেন। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কি সেই দায় নিতে প্রস্তুত আছেন?

লেখাটির ফেইসবুক ভার্সন পড়তে চাইলে এইখানে ক্লিক করুন

Share

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Feeling social? comment with facebook here!

Subscribe to
Newsletter