No action against pro-government student leaders who beat up police

This news shows how the administration has been infiltrated by the ruling party. There is practically no difference between police and Awami League.

Some Chhatraleague leaders beat up police in Araihajar of Narayanganj. Akhtar Hossain, the Officer-in-Charge of the local police station released the student leaders, after detaining them for a while.

The Chhatraleague leaders entered Gopaldi police investigation centre and roughed up the policemen there. Police arrested the leaders on the spot. Although a video of that attack became viral in the social media, police did not finally take any legal action against the pro-government student leaders. Some journalists asked police why they had not taken any action against the leaders. The Officer-in-Charge said: “…We could have acted against them if those student leaders were from the (opposition) BNP.”

According to newspaper reports, after police arrested one Didar on a charge of eve teasing and alcoholism, Sujoy Saha, a Chhatra League leader of Gopaldi, turned up at the police demanding that he be released. When they refused to release Didar, Saha abused police using foul language.

Mamun, a police officer protested against Saha. Then Saha beat up Mamun. The Chhatraleague leader called up some of his party colleagues and asked them to come over to the police station. The group pounced on the policemen at the police station and beat them up. After additional forces arrived, the situation came under control and Saha and Didar were detained. And, injured police constables and other officers were taken to hospital.

Police often say that Chhatraleague is on their side. And, they would not act against the student wing of the ruling party even if they attack them, police said. Police would have taken action against them, had they been a student organisation owing allegiance to the opposition party, police openly say. Such reaction from police clearly shows that Bangladesh is no more functioning as a state and the government is running like a pro-ruling party criminal enterprise.

By taking control of the state the ruling party is running it like it’s the mafia. It signals the advent of a great danger for all citizens. This state, if it keeps functioning this way, is going to trouble the world in many ways in near future. Is the international community aware of how Bangladesh is fast turning into a dysfunctional state?

Click here to read the original Facebook post

এই সংবাদটাই বলে দিচ্ছে প্রশাসনে কি পরিমানে নির্লজ্জ দলীয়করণ হয়েছে। পুলিশ এবং আওয়ামী লীগের মধ্যে দৃশ্যতঃ কোন তফাত দেখতে পাওয়া যাচ্ছেনা।

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে পুলিশের এক কর্মকর্তা ও দুই কনস্টেবলকে পেটানো ছাত্রলীগ নেতাদের আটক করেও ছেড়ে দিয়েছেন থানার ওসি আক্তার হোসেন।

উপজেলার গোপালদী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে ঢুকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ওই হামলা চালায়। হামলাকারিদের ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করাও হয়।ওই ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলেও ছাত্রলীগ নেতাদের ব্যাপারে কোনো আইনি পদক্ষেপ নেয়নি পুলিশ। হামলাকারী ছাত্রলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে ওসি মামলা না দায়ের করেই তাদের ছেড়ে দেয়। তাদেরকে কেন ছেড়ে দেয়া হয়েছে, এটা সাংবাদিকেরা জিজ্ঞেস করলে গ্রেপ্তারকৃত ছাত্রলীগ নেতাদের নিজেদের লোক দাবি করে ওসি বলেন, ‘কালকে এমপি সাব আমেরিকা গেছে। সব নিজেরা নিজেরা। বিএনপি হইতো একটা কথা আছিলো, ব্যবস্থা নিতে পারতাম।’

সংবাদপত্রে ঘটনা যা জানা গেছে তা হচ্ছে, মাদকসেবন ও ইভটিজিংয়ের অপরাধে দিদার নামে একজনকে আটক করলে আটকের খবর জানতে পেরে গোপালদী পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সুজয় সাহা আটককৃত দিদারকে ছাড়িয়ে আনতে তদন্তকেন্দ্রে যান। পুলিশ তাকে ছাড়তে অস্বীকৃতি জানালে সুজয় পুলিশকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।

এ সময় এটিএসআই মামুন তার প্রতিবাদ করলে ছাত্রলীগ নেতা সুজয় ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে মারধর শুরু করেন। সুজয় মোবাইলে তার সহযোগীদের তদন্তকেন্দ্রে এনে পুলিশের ওপর হামলা চালাতে থাকেন। একপর্যায়ে দুজন কনস্টেবল এগিয়ে আসলে তাদের ওপরও হামলা চালানো হয়। অতিরিক্ত পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে সুজয় ও দিদারকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন। আহত পুলিশ কর্মকর্তা ও কনস্টেবলদের উদ্ধার করে আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়।

এই পুলিস বাহিনী নিজেই বলে ছাত্রলীগ তাদের নিজেদের লোক। আর এরা দুষ্কর্ম করলেও, এমনকি খোদ পুলিশের উপরে চড়াও হলেও, পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা তো নেবেনা বরং তারা বিরোধী দলের নেতা কর্মী হলে ব্যবস্থা নেয়া হতো, তা বলবে।

রাষ্ট্রীয় বাহিনীর এই আচরণ দেখলেই বুঝতে পারা যায়, বাংলাদেশ আর রাষ্ট্র হিসেবে ফাংশন করছে না, এটা রাষ্ট্রযন্ত্রের বদলে হয়ে গেছে দলীয় মাফিয়াতন্ত্র। রাষ্ট্রকে জবরদখল করা এই বিপদজনক দলীয় মাফিয়াতন্ত্র তো শুধু বাংলাদেশের নাগরিকের জন্যই বিপদ নয়, এটা তো একসময় সারা দুনিয়ার জন্যই বিপদ হয়ে উঠবে। এটা কি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বুঝতে পারছে?

লেখাটির ফেইসবুক ভার্সন পড়তে চাইলে এইখানে ক্লিক করুন

Share

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Feeling social? comment with facebook here!

Subscribe to
Newsletter