Police planning new level of crackdown on Facebook users

Publication of “harmful” contents on Facebook, posting supporting comments or Likes on them is an offence, Monirul Islam, chief of the counterterrorism unit of Dhaka Metropolitan Police, said in a special programme on Safer Internet Day this week.

Monirul divided the harmful online contents into three categories: Pornography, militancy and spreading of fake news, rumour and hatred on political and social issues. Sharing of or liking such online contents and posting comments and uploading statuses on them are counted as cognizable offences, he said. According to the police officer, the opening of fake IDs on Facebook is also a cognizable offence. Anyone committing such offences will face legal action under the Digital Security Act, he added.

I can present thousands of examples of Sheikh Hasina telling lies. Here is one example:

Report on Food Security and Nutrition published on 17 JUL 2019, FAO (UN body on food and agriculture): “Around twenty million people in Bangladesh do not get food as much as they need.”

Sheikh Hasina (published in Dainik Janakantho on 17 JUL 2019): “We have succeeded to build a hunger-free Bangladesh.”

An organisation under the UN in its report is saying that around twenty million people in Bangladesh are starving. But, Sheikh Hasina says, nobody is hungry in the country. It is difficult to believe that the report from FAO is untrue. What action will Monirul take against Sheikh Hasina for telling a lie on such a sensitive national issue? Will he be able to initiate any punitive action against Sheikh Hasina?

Before the farcical general election in 2019, Facebook and Twitter authorities revealed that pro-government groups in Bangladesh were using the two popular social media platforms to spread misinformation about the opposition parties. Did Monirul, who is a former leader of the student wing of Socialist Party of Bangladesh, have the ability to act against those pro-government online miscreants?

Click here to read the original Facebook post

ফেসবুকে “ক্ষতিকারক‘ বিষয় প্রকাশ, তাতে মন্তব্য করা কিম্বা লাইক দেওয়াও অপরাধ বলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টারটেররিজম প্রধান মনিরুল ইসলাম গত সপ্তাহে নিরাপদ ইন্টারনেট দিবসে এক বিশেষ অনুষ্ঠানে জানিয়েছে।

কোনটা “ক্ষতিকারক” সেগুলোকে মনিরুল তিনটা ক্যাটাগরিতে ভাগ করেছে; পর্নোগ্রাফি, রাজনৈতিক ও সামাজিক বিষয়ে অসত্য সংবাদ, গুজব, ঘৃণা ছড়ানো এবং জঙ্গি উপাদান। এ তিন ধরনের কনটেন্টে লাইক দেওয়া, শেয়ার করা, মন্তব্য করা কিংবা এ সংক্রান্ত স্ট্যাটাস আপলোড করা অপরাধ।’এছাড়া, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ফেক বা ভুয়া আইডি খোলাও অপরাধ বলে তিনি জানিয়েছেন। তাঁর কথায় এসব করলে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন অনুযায়ী শাস্তির আওতায় আনা সম্ভব।

আমি কমপক্ষে এক হাজার উদাহরণ দিতে পারবো যেখানে শেখ হাসিনা মিথ্যাচার করেছে। আমি একটা উদাহরণ দেই।

“বাংলাদেশে প্রায় দুই কোটির বেশি মানুষ ভালোভাবে খেতে পায় না”

– জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি বিষয়ক সংস্থা FAO, খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টিবিষয়ক প্রতিবেদন, ১৭ জুলাই ২০১৯

ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ গড়তে আমরা সক্ষম হয়েছি”

-শেখ হাসিনা। দৈনিক জনকণ্ঠ ১৭জুলাই ২০১৯

জাতিসংঘের এক সংস্থার রিপোর্ট বলছে যে প্রায় দুই কোটি মানুষ বাংলাদেশে ভালোভাবে খেতে পায়না। অথচ শেখ হাসিনা বলছে যে দেশে কেউ অনাহারে নেই। জাতিসংঘের সংস্থার রিপোর্ট মিথ্যা বলছে এটা বিশ্বাস করা কঠিন। কিন্তু এই ক্ষেত্রে মিথ্যা কথা বলার জন্য শেখ হাসিনার প্রতি কি পদক্ষেপ নিবে মনিরুল? সে কি শেখ হাসিনার শাস্তির জন্য পুলিশী পদক্ষেপ নিতে পারবে?

গত নৈশ ভোটের নির্বাচনের আগে ফেইসবুক এবং টুইটার অফিসিয়ালি সারা দুনিয়াকে জানিয়েছিলো বাংলাদেশে সরকারের ভেতরের লোকেরা এই দুই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিরোধী দলের বিরুদ্ধে গুজব বা মিথ্যা খবর ছড়াচ্ছিলো।

সাবেক বাসদ নেতা মনিরুল কি সেই গুজব সৃস্টিকারীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়ার হিম্মত দেখিয়েছিলেন?

লেখাটির ফেইসবুক ভার্সন পড়তে চাইলে এইখানে ক্লিক করুন

Share

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Feeling social? comment with facebook here!

Subscribe to
Newsletter