Researchers estimating corona deaths face government wrath

Taking along some other researchers, Malay Kanti Mridha, a teacher of Bangladesh’s well-known private Brac University prepared a research report in which he estimated how many people in Bangladesh could be infected by coronavirus, how many among them would need critical care and die. The report, which was based on a model developed by some researchers of Imperial College in London, was co-authored Mr Mridha and Rina Rani Paul of James P Grant School of Public Health, BRAC University, Dipak K Mitra, department of public health, North South University and Alain Labrique and Yifan Zhu, Bloomberg School of Public Health, Johns Hopkins University.

According to the report, if the government does not act as needed and fails to curb the spread of COVID-19 on time, over half a million people may die in Bangladesh.

After the Covid-19 report on the threat to Bangladesh was published, Brac University issued a statement saying it had not “conducted, commissioned or published any research regarding the Covid-19 situation in Bangladesh.”

The statement added: “We have initiated an official investigation into the matter and appropriate disciplinary action will be taken if the concerned individual is proven to have violated the research and publication policy of the school.”

The Covid-19 report, co-authored by Mridha and others, is based on the model developed by a team led by eminent epidemiologist Neil Ferguson of Imperial College. All the info used in the preparation of the report on the situation in Bangladesh was published by the Bangladesh government and is available in the public domain. So, Mridha did not actually need to take any permission for his report from his university.

It’s worth noting that, based on the model of Neil Ferguson, it has been projected that corona could take the lives of half a million people in the UK and 2.2 million people in the US. Scientist Ramanan Laxminarayan from US-based Center for Disease, Dynamics, Economics and Policy said on March 19 that coronavirus could claim up to 300 million lives in India. He based his estimate on the same model, too.

For the projections prepared in the interest of the policymakers, academicians in Bangladesh are being targeted by the universities.

The researchers of the Covid-19 report, who are located inside Bangladesh, have definitely come under pressure from the intelligence agencies. Dipak Mitra of North South University, one of the researchers of the report, has now issued a statement that he had not been involved with the research on which the report is based. However, one of his old Facebook posts shows that he had indeed been involved in the research with keen interest. There is evidence that Mr Mitra emailed the results of the research to the co-researchers outside Bangladesh. Take a look at the screenshot of the Facebook conversation between lead researcher Mridha and Mitra.

Fascism is destroying everything in Bangladesh. It has also destroyed the spine and integrity of the country’s academicians.

Click here to read the original Facebook post

বাংলাদেশের অন্যতম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষক বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য বিস্তার বিষয়ে লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের গবেষকদের উদ্ভাবিত একটি মডেলের ভিত্তিতে বাংলাদেশে কতজন আক্রান্ত হতে পারে, কতজনের ক্রিটিক্যাল কেয়ার লাগতে পারে, কতজন মারা যেতে পারে তা নিয়ে একটি গবেষণা প্রতিবেদন তৈরি করেন।

প্রতিবেদনটি যৌথভাবে লিখেছেন বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচ গবেষক: ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের জেমস পি গ্রান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথের মলয় কে মৃধা ও রিনা রানি পাল, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জনস্বাস্থ্য বিভাগের দীপক কে মিত্র, যুক্তরাষ্ট্রের জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্লুমবার্গ স্কুল অব পাবলিক হেলথের অ্যালাইন ল্যাবরিক ও ইফ্যান ঝু। এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে সরকার করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে কোনো পদক্ষেপ না নিলে, কভিড-১৯ সংক্রমন থেকে বাংলাদেশে ৫ লাখেরও বেশি মানুষ মারা যেতে পারে।

এই প্রতিবেদন প্রকাশের পরে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে যে তারা বাংলাদেশে কভিড -১৯ বিষয়ে কোনও ধরণের গবেষণা চালায়নি, কমিশন করেনি বা প্রকাশ করেনি। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলেছে যে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও প্রকাশনা বিষয়ক কোনও নীতিমালা ভঙ্গ করা হয়েছে কিনা তাঁরা তা তদন্ত করছেন এবং ভঙ্গ হলে তাঁর বিরুদ্ধে “ডিসিপ্লিনারী এ্যাকশন” নেয়া হবে।

লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের প্রখ্যাত এপিডেমিওলোজিস্ট নিল ফার্গুসনের নেতৃত্বে প্রস্তুতকৃত ওই মডেলের ব্যবহার এবং বাংলাদেশ বিষয়ক প্রতিবেদনে যে সব তথ্য ব্যবহৃত হয়েছে তার সবই পাবলিকলি পাওয়া যাচ্ছে। এসব তথ্য সরকারই প্রকাশ করেছে। ফলে এই জন্যে কোন গবেষককে আলাদা করে অনুমতি নেবার দরকার নাই। কভিড-১৯ বিষয়ে এই ধরণের প্রজেকশন বিভিন্ন দেশের ক্ষেত্রেই করা হয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যেতে পারে, নিল ফার্গুসনের ঐ মডেল ব্যবহার করে যুক্তরাজ্যেও প্রায় ৫ লাখ ও যুক্তরাষ্ট্রে ২২ লাখ মানুষ করোনাভাইরাসে মারা যেতে পারে বলে প্রজেকশন করা হয়েছে।

মডেলিংয়ের ভিত্তিতে প্রজেকশন গবেষণার ক্ষেত্রে প্রচলিত পদ্ধতি। আমেরিকার সেন্টার ফর ডিজিজ ডাইনামিক্স, ইকনোমিক্স এ্যান্ড পলিসি’র পরিচালক রামানান লক্ষ্মীনারায়ণ বিবিসি’র সঙ্গে ১৯ মার্চ এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন এই মডেলিংয়ের ভিত্তিতে ভারতে ৩০০ মিলিয়ন (তিরিশ কোটি) আক্রান্ত হতে পারে ।

বাংলাদেশের অ্যাকাডেমিশিয়ানরা নীতিনির্ধারকদের জন্য তৈরি করা প্রজেকশনের জন্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের রোষানলে পড়ছেন।

এই গবেষকদের মধ্যে যারা যারা বাংলাদেশে আছেন, তারা নিশ্চিতভাবেই সরকারের গোয়েন্দা সংস্থার চাপে আছেন। এই গবেষকদের একজন দীপক মিত্র প্রকাশ্যেই বিবৃতি দিয়ে বলছেন এই গবেষণার সাথে উনার কোন সংশ্লিষ্টতা ছিলোনা। অথচ উনার ফেইসবুকের লেখার স্পষ্ট যে এই গবেষনায় তিনি ছিলেন, আগ্রহ নিয়েই যুক্ত হয়েছিলেন। তিনিই গবেষণার ফল তাঁর বিদেশী সহ গবেষকদের ই মেইল করেছিলেন। মূল গবেষক মলয় মৃধার সাথে দীপক মিত্রের ফেইসবুকে আলাপের নিচের স্ক্রীনশট দেখুন।

ফ্যাসিবাদ অনেক কিছু ধ্বংস করে। সেই সাথে অ্যাকাডেমিশিয়ানদের মেরুদণ্ড আর সততাও ধ্বংস করে দেয়।

লেখাটির ফেইসবুক ভার্সন পড়তে চাইলে এইখানে ক্লিক করুন

Share

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Feeling social? comment with facebook here!

Subscribe to
Newsletter