Safe Road Movement will inspire rise of other movements in Bangladesh

Featured Video Play Icon
Pinaki Bhattacharya

On this day, one year ago, school students in Bangladesh launched an incredibly unique and powerful movement. Two students had died in road accidents. The students launched the movement demanding safe roads and justice in the killing of the two students.

The movement became incredibly popular and it shook the foundation of the fascist government. The students took to the streets and began checking driving licences of all vehicle drivers. The students brought the fact to light that many top police officers, MPs, ministers, army officers drove their vehicles illegally without having driving licences. The young students also demanded the state be mended. News about the safe road movement by the school students, which was later supported by college and university students, was covered widely by the international media.

It was a peaceful movement by the students. But, police and ruling party goons bashed up the students, leaving them bloodied, and silenced the movement.

In an interview with Al Jazeera TV, Shahidul Alam criticised the Awami League-led government for its actions against the students and other issues. On August 5 the internationally acclaimed photographer was picked up by the Detective Branch (DB) of police. They beat him up and left him bloodied and battered.

The same day, in a phone-I was asked to come down to the army intelligence agency’s headquarters in Dhaka. The caller tried to pressure me into coming down to the DGFI headquarters that evening. Since that day I have not been leading a normal life.

Last year’s movement by the students was stopped by the government using force. But, it succeeded to sow the seeds of other future movements or struggles in Bangladesh. I hope, the safe road movement will lead to the births of other successful movements or struggles by the people, against the authoritarian rulers all across the world, including Bangladesh.

Click here to read the original Facebook post

এক বছর আগে ঠিক এই দিনে নিরাপদ সড়কের দাবীতে বাংলাদেশে এক অভাবনীয় অভিনব শক্তিশালী ছাত্র আন্দোলনের জন্ম হয়েছিলো। স্কুলের ছাত্ররা স্কুল ব্যাগ কাঁধে-পিঠে নিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত তাদের দুই সহপাঠীর হত্যার বিচার চাইতে রাজপথে নেমে আসে।

এই আন্দোলন তুমুল জনপ্রিয় হয়ে ওঠে ফ্যাসিস্ট শাসনের ভিত কাঁপিয়ে দেয়। ছাত্ররা রাস্তায় রাস্তায় ড্রাইভারদের লাইসেন্স চেক করতে শুরু করে। অবাক হয়ে সবাই দেখতে পায় পুলিশের বড় কর্তা, এমপি, মন্ত্রী ও সামরিক বাহিনীর অফিসাররা কীভাবে লাইসেন্স ছাড়া রাস্তায় যানবাহন চালায়। ছোট ছোট বাচ্চারা এই বিস্ময়কর সত্য আবিস্কার করেই ক্ষান্ত হয়নি, তারা এই রাষ্ট্রের মেরামতের দাবীও তোলে। সারা দুনিয়ায় এই আন্দোলনের খবর ছড়িয়ে পড়ে সংবাদ মাধ্যমের মধ্য দিয়ে।

স্কুল ছাত্রদের এই অহিংস শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে অংশ নেয়া স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের নির্মমভাবে পুলিশ এবং ছাত্রলীগের গুণ্ডাবাহিনী পিটিয়ে রক্তাক্ত করে আন্দোলনকে স্তব্ধ করে দেয়।

এই আন্দোলন নিয়ে আল জাজিরায় সাক্ষাৎকার দেয়ার জন্য নন্দিত ফটোগ্রাফার শহীদুল আলমকে গভীর রাতে বাসা থেকে তুলে নিয়ে গোয়েন্দা পুলিশেরা পিটিয়ে রক্তাক্ত করে।

আমাকেও ৫ আগস্ট ঢাকাতে ডিজিএফ আই অফিসে দেখা করতে যাওয়ার জন্য ফোন কল করে চাপ দেয়া হয়। সেদিন থেকেই আমি আমার স্বাভাবিক জীবন হারাই।

ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলন গত বছর থেমে গেলেও পরাজিত হয়নি। ঝরা পাতা মাটিতে মিশে যেমন ভবিষ্যতের মহীরুহের জন্য অযাচিত সার রেখে যায়, ঠিক তেমনি এই নিরাপদ সড়কের আন্দোলন সারা দুনিয়ার কর্তৃত্ববাদী শাসকদের বিরুদ্ধে জনগণের নুতন লড়াইয়ে প্রেরণা যোগাবে।

লেখাটির ফেইসবুক ভার্সন পড়তে চাইলে এইখানে ক্লিক করুন

Print Friendly, PDF & Email
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Comment