The election commission has no chance to say who stuffed ballot boxes at night: CEC

The election commission has no chance to say who stuffed ballot boxes at night: CEC
Pinaki Bhattacharya

After admitting that the ballot boxes were stuffed at night before the day of the polling during the recent general election in Bangladesh, the Chief Election Commissioner (CEC) said: “The election commission has no chance to say who stuffed the ballot boxes at night.

The helplessness of the CEC reflected in his comment when he said that the election commission was not capable to say who were behind the stuffing of the ballot boxes or, what was needed to stop such malpractice. “We are not in a position to say why the ballot boxes got stuffed (at night). We all have to work together to help improve the situation,” he added.

Right from the day of the December 30 election the CEC kept insisting that the election was free and fair. Even on a visit to India he claimed in an election-related seminar that the “eleventh national parliament election had been free, fair, peaceful and all-inclusive”.

Now, the CEC has suggested that EVMs would be widely used in future elections as a measure to get rid of stuffing of ballot boxes. We cannot believe that he is suggesting the use of EVMs after being driven by his qualms of conscience. He is planning to introduce the EVMs seeking a smarter digital mode of rigging.

The EC began behaving in a biased manner before the last general election was held.

Opposition coalition candidates faced violent attacks from the ruling party goons. Electioneering by the opposition candidates was not allowed in most cases. Police slapped fictitious violence-related cases against the candidates, polling agents and other party workers to keep the election as much opposition-free as possible. Many international media correspondents and election observers were not allowed to be present in the country during the election. They used fake groups and presented them as international election observers. They made all arrangements not to allow anyone keep record of the malpractices adopted during the election. The election commission began receiving complaints on such poll-related malpractices weeks before the day of the general election. Yet, it did not act against any of the complaints and kept telling everyone that the election was free, fair and all-inclusive.

The EC has conspired in all possible ways to destroy the institution of the election. Most people of the country are staying away from casting their votes these days since they know their votes are not to be counted actually.

The election commission has to bear the responsibility for turning the election into a farce. The political institution of the state is virtually lying in ruins because of the farcical election. Those who are responsible for destroying the political institutions of the election and state are anti-nationals. Hundreds of thousands of our heroes laid down their lives to give birth to this state. Now, some groups in their selfish interest are ruining our nation. The people of the nation will stand up to those groups one day. The history will stand witness to this fact that some among us have stood in protest against the injustice meted out to the nation, risking our lives.

Click here to read the original Facebook post

নির্বাচনে রাতে ব্যালট বাক্স ভরা হয়েছে সেটা স্বীকার করার পরে বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, “রাতে ব্যালট বাক্স ভর্তির জন্য কারা দায়ী, সেটা বলার সুযোগ নির্বাচন কমিশনের নেই।

শুধু তাই নয় তিনি মূলতঃ তার অসহায়ত্ব প্রকাশ করেছেন এই বলে যে, “কারা সেজন্য দায়ী, কাদের কী করা প্রয়োজন, সেই শিক্ষা দেয়ার ক্ষমতা, যোগ্যতা কমিশনের নেই। কী কারণে, কাদের কারণে এগুলো হচ্ছে, কারা দায়ী তা বলারও কোনো সুযোগ নেই। সবাই মিলে বিষয়টি দেখতে হবে। তাহলেই অবস্থার উন্নতি হবে।”

অথচ এই প্রধান নির্বাচন কমিশনার শুধু দেশেই নয় বিদেশে গিয়েও দাবী করেছিলেন নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে। গত ২৪ জানুয়ারি ভারতে নির্বাচন বিষয়ক একটি সেমিনারে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন, “একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক, অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে”।

তিনি রাতের ভোট বন্ধ করার জন্য ইভিএমে ভোট নেয়ার প্রস্তাব করেছেন। এটা বিবেকের তাড়নায় নয়, আরো কার্যকর ডিজিটাল জালিয়াতির পদ্ধতি হিসাবে তিনি ইভিএমের প্রস্তাব করেছেন।

নির্বাচনের আগে থেকেই নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতমূলক আচরণ করেছে।

নির্বাচনী প্রার্থীদের উপরে আক্রমণ করে খোদ প্রার্থীকে আহত রক্তাক্ত করা হয়েছে। নির্বাচনী প্রচারে হামলা করে পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বিরোধী দলকে সারা দেশে নির্বাচনের মাঠে থাকতে না দেয়া, পুলিশ আর গোয়েন্দা সংস্থা দিয়ে গ্রেফতার করা, সম্ভাব্য এজেন্টদের গ্রেফতার করে ভোটকেন্দ্র এজেন্ট শূন্য করে দেয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক নির্বাচনী পর্যবেক্ষক ও আন্তর্জাতিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের নির্বাচনের সময় বাংলাদেশে আসতে বাধা দেয়া হয়েছে। নির্বাচনী পর্যবেক্ষকদের শূন্যতা ভুয়া পর্যবেক্ষণ সংস্থা দিয়ে পূরণ করে তাদের আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক বলে মিথ্যা প্রচার করা হয়েছে। ভোট কারচুপির কোন প্রমাণ যেন কেউ রাখতে না পারে তার জন্যও সকল আয়োজন সম্পন্ন করা এমনকি অসংখ্য অভিযোগ সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন নির্লিপ্ত থেকে এই প্রহসনের নির্বাচনকে বৈধতা দেয়ার সর্বতো চেষ্টা করেছে।

নির্বাচন নামের প্রতিষ্ঠানটিকে একেবারে ধ্বংস করে দেয়ার সব আয়োজন সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন নিজে। দেশের মানুষ আর এখন ভোটই দিতে যায়না।

এই দায় প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে নিতে হবে। রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে যে নজিরবিহীন নির্বাচনী প্রহসন হয়েছে এর ফলে শুধু নির্বাচন নামের প্রতিষ্ঠান নয় পুরো রাষ্ট্র নামের রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানটি ধ্বংসের মুখে এসে দাঁড়িয়েছে। যারা যারা মিলে এসব কাজ করেছে তারা সবাই রাষ্ট্রদ্রোহী।

মহান মুক্তিযুদ্ধে লাখো লাখো শহীদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত আমাদের রাষ্ট্রটিকে যারা ধ্বংসের শেষ প্রান্তে নিয়ে এসেছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা রক্ষার নামে, তাদের প্রতারণা এবং অপরাধের জবাব জনগণ একদিন দেবে। আজ ইতিহাসকে সাক্ষী রেখে গেলাম, আমরা কেউ কেউ জীবনের মায়া ত্যাগ করে এই ঘোরতর অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে পিছপা হইনি।

লেখাটির ফেইসবুক ভার্সন পড়তে চাইলে এইখানে ক্লিক করুন
Print Friendly, PDF & Email
  • 111
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    111
    Shares

Leave a Comment