We still don’t know who engineered the BDR Massacre and benefitted from it

On February 25 – 26, in Dhaka, 56 army officers were murdered. The incident of the killings perhaps has no parallel in the history of the world.

After the army officers were murdered, their bodies were set on fire or buried. Some bodies were dumped in the drains. Apart from that, 17 civilians were also killed, wives and daughters of the army officers were also raped. The perpetrators of the ghastly crimes inside the Bangladesh Rifles or BDR headquarters, around 5 kms away from Dhaka Cantonment, were the soldiers who worked under those officers.

Friends, relatives and their course mates had no way to help out the hapless army officers. When the massacre was going on, the army officers from inside the BDR headquarters made several distress calls to different places. But, the government did not order any action to help out the army officers. The soldiers who committed the crime later met PM Sheikh Hasina. And, she later gave the so-called rebel soldiers amnesty for their crime.

Those army officers who expressed their discontent openly saying that the government did not make any effort to save the lives of their colleagues were later removed from military service prematurely.

On November 7, 1975, in another incident, soldiers in Bangladesh turned against their officers. At least 10 army officers were killed in that incident. That incident also led to a change in power in the State.

The 2009 BDR Massacre was not just a revolt of some soldiers. The massacre was, in fact, an act of revenge against the Bangladesh army which was raised through the Liberation War.

Perhaps, we will get to one day why exactly some force aimed to take revenge in this gruesome style. However, it should be noted that Sheikh Hasina said in the Parliament that the BDR mutiny was “completely pre-planned”. The court issued a verdict in the case of the BDR Massacre. Now Sheikh Hasina has to a who masterminded the massacre and why exactly someone or some group planned it.

On several occasions, Sheikh Hasina blamed Khaleda Zia and Tarique Rahman for the BDR Massacre. She has to answer why she issued such an irresponsible statement being the PM of the country. Sheikh Hasina’s cowardice and failure to take a decision on time led to the irreparable loss of the Bangladesh Army and she should be held responsible for this. Hasina is also responsible for the reprisal actions against the army officers who charged that the government did not try to save the lives of the officers from the massacre in 2009.

The name of Bangladesh’s border force has changed from BDR to BGB now. The army officer who heads the BGB is a casino mafia. Now the main duty of the BGB Is to collect the dead bodies of the Bangladeshis killed by the BSF, celebrating Holi and Rakhi Bandhan festivals with the Indian force.

Hopefully, we will one day succeed to know who benefitted from the BDR Massacre. History will certainly take revenge on those who organised the massacre. Blood of the martyrs will not go to waste.

Click here to read the original Facebook post

পৃথিবীর ইতিহাসে কোন একক যুদ্ধে একই দিনে ৫৬ জন সেনা কর্মকর্তাকে নিহত হতে হয়নি। কিন্তু বাংলাদেশে হয়েছে।

একই দিনে দেশের রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে একই দিনে ৫৬ জন চৌকষ সেনা অফিসারকে নির্মম ভাবে হত্যা করে আগুনে জ্বালিয়ে, মাটিতে পুঁতে বা ড্রেনে ফেলে দেয়া হয়েছিলো। শুধু তাই নয়, আরো সতেরো জন বেসামরিক মানুষকেও হত্যা করা হয়েছিলো। এমনকি সেনা অফিসারদের স্ত্রী-কন্যাদের ধর্ষণও করা হয় সেখানে সেদিন। আর এই ঘটনা ঘটেছিলো অধীনস্থ সৈনিকদের হাতেই ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের পাঁচ কিলোমিটারের কম দূরত্বে।

হতভাগ্য সেনা অফিসারদের বন্ধু স্বজন কোর্স মেটদের কিছুই করার ছিলোনা। বিডিআর হেডকোয়ার্টারের ভিতরে ম্যাসাকার হয়ে যাচ্ছে, অবরুদ্ধ সেনা অফিসারেরা সাহায্যের জন্য পরিচিত সবাইকে ফোন করছে কিন্তু সরকার কোন উদ্ধার অভিযানের নির্দেশ দেয়নি। বরং খুনি বিডিআর সদস্যরা সরকারি ভবনে এসে শেখ হাসিনার সঙ্গে পরে দেখা করে। শেখ হাসিনাও তথাকথিত বিদ্রোহীদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন।

যে সমস্ত সেনা অফিসার এই হত্যাকাণ্ড না থামানোর জন্য প্রকাশ্য ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলো তাদের সবাইকে নানাভাবে পরে চাকুরিচ্যুত করে সেনাবাহিনী থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে।

বাংলাদেশের ইতিহাসে আরো একবার সৈনিকেরা অফিসারদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরেছিলো ৭ নভেম্বর, ১৯৭৫ সালে। রাষ্ট্র ক্ষমতার পরিবর্তন হয়ে গেছিলো সেই ঘটনায়। সেখানেও অন্তত দশজন সেনা অফিসার নিহত হয়েছিল। বিডিআর ম্যাসাকার নিছক সৈনিক বিদ্রোহ নয়। এটা ছিলো বাংলাদেশের গর্ব মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে দিয়ে গড়ে ওঠা সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে এক নির্মম প্রতিশোধ।

কেন এই প্রতিশোধ?

এর উত্তর হয়তো কোনদিন পাওয়া যাবে। তবে শেখ হাসিনা স্বয়ং জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বলেছেন, বিডিআর বিদ্রোহ ছিল ‘সম্পূর্ণভাবে পূর্বপরিকল্পিত’। বিডি আর হত্যাকাণ্ডের রায় যেহেতু প্রকাশিত তাই শেখ হাসিনাকেই বলতে হবে এই পরিকল্পনা কেন করা হয়েছিলো, কারা করেছিলো?

শেখ হাসিনা একাধিকবার স্পষ্টভাবে তারেক রহমান এবং খালেদা জিয়াকে এই হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ী করে বক্তব্য দিয়েছিলেন। শেখ হাসিনাকে এখন জবাব দিতে হবে কেন প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসে এমন দায়িত্বহীন বক্তব্য তিনি দিয়েছিলেন? নিজের ব্যর্থতা, ভীরুতা, সিদ্ধান্তহীনতার জন্য সেনাবাহিনীর যে অপপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে এবং এই হত্যার প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে যে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা হাসিনা সরকার নিয়েছে সেইটার দায় হাসিনাকেই নিতে হবে।

বিডিআর শুধু নাম পরিবর্তন করে বিজেবিই হয়নি তার কমান্ডার হয়েছে এক ক্যাসিনো মাফিয়া। বিজেবির কাজ হয়ে দাড়িয়েছে বি এস এফের হাতে নিহত বাংলাদেশীর লাশ গ্রহণ করে সীমান্তে বিএস এফের সাথে হোলি উৎসব আর রাখী বন্ধন করা। এইসব ঘটনা দেখে কি আমরা কখনো আঁচ করতে পারবো বিডিআর হত্যাকণ্ডে কারা আখেরে উপকৃত হয়েছিলো?

ইতিহাস ঠিকই একদিন এই হত্যার বদলা নেবে। শহীদের রক্ত বৃথা যাবেনা।

লেখাটির ফেইসবুক ভার্সন পড়তে চাইলে এইখানে ক্লিক করুন

Share

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Feeling social? comment with facebook here!

Subscribe to
Newsletter