Where law enforcement agents operate like mafia, we have reasons to worry about Sifat’s safety

Sahedul Islam Sifat, student of Dhaka’s Stamford University and a member of the crew that was shooting Major (Retd) Rashed’s documentary, was released on bail in Cox’s Bazar yesterday. But, quite surprisingly, Sifat was picked up and bundled away in a microbus by some unidentified people, as soon as he walked out of the jail at around 2.15 pm yesterday. The men were in plain clothes and the microbus did not carry any registration number.

Sifat is the main witness in the case of the murder of Maj Rashed. It is difficult to expect justice in the case of the murder if the key witness is abducted by unknown people just outside the jail gate in this style.

Bangladesh has turned into a mafia state where laws or rules of the civilised world do not work. What is the use of the systems of prosecution and judiciary in the country if the main witness of a sensational extrajudicial killing gets abducted this way?

This incident of the abduction of Sifat reminds us of the case of Sukharanjan Bali, who was a key witness in the trial of Delwar Hossain Sayeedi. Bali was listed as a witness by the State, against Sayeedi. But Bali said, he had not seen Sayeedi commit any crime and he would give testimony in favour of him in the court. In the presence of many witnesses in the court, Bali was abducted by unidentified people and whisked away in a microbus- which did not carry any registration number- the day he arrived the court to give his testimony in the case. Days later, journalists discovered Bali inside a jail in India.

It is important to ascertain the identity of the people who abducted Sifat yesterday. They should be brought to justice for their actions. Why did they need to whisk him away in a microbus without a registration number, before he could speak to the awaiting journalists outside the gate of the jail? Considering the sensitivity of the case of the murder of Maj Rashed, we have reasons to worry about the physical safety of Sifat.

Click here to read the original Facebook post

কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন পুলিশের গুলিতে নিহত মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খানের তথ্যচিত্র নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত রাজধানীর স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী সাহেদুল ইসলাম সিফাত। অথচ আশ্চর্যজনকভাবে সোমবার বেলা সোয়া দুইটায় তিনি কারা ফটকে পৌঁছালে কিছু সাদা পোশাকধারী লোকজন তাঁকে দ্রুত নম্বরবিহীন একটি মাইক্রোবাসে করে নিয়ে যান।

সিফাত মেজর রাশেদ হত্যাকাণ্ডের প্রতক্ষ্যদর্শী এবং প্রধান সাক্ষী। তাকেই যদি নাম্বারবিহীন মাইক্রোবাসে করে জেল গেট থেকে অজানা ব্যক্তিরা অপহরণ করে নিয়ে যায় তাহলে এই হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার কি পাওয়া যাবে বাংলাদেশে?

বাংলাদেশ এমনই একটা মাফিয়া রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে যে এইখানে সভ্য জগতের কোন আইন বা নিয়ম অচল। মেজর রাশেদের মতো চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের প্রধান সাক্ষীকেই যদি এইভাবে গায়েব করে দেয়া হয় তাহলে আইন আদালত এসব দেশে থেকে লাভ কী?

এই প্রসঙ্গে সাঈদীর মামলার সাক্ষী সুখরঞ্জন বালীর ঘটনা মনে পড়ছে। সুখরঞ্জন বালীর নাম রাষ্ট্রপক্ষ সাঈদীর বিরুদ্ধে সাক্ষী হিসেবে দাখিল করে। সুখরঞ্জন বালী জানায় যে সাইদীকে সে কোন অপরাধ করতে দেখেনি এবং সে সাইদীর পক্ষেই আদালতে সাক্ষ্য দেবে। সুখরঞ্জন বালী যেদিন আদলতে সাক্ষ্য দিতে আসে সেদিন সকলের সামনেই এভাবে তাকে নাম্বারবিহীন গাড়িতে তুলে অপহরণ করা হয়। কিছুদিন পরে সাংবাদিকেরা সুখরঞ্জন বালীকে ভারতের এক কারাগারে আবিষ্কার করে।

যারা সিফাতকে নাম্বারবিহীন মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে গেছে তাদের পরিচয় প্রকাশ করে আইনের হাতে সোপর্দ করা হোক। কেন তারা তাকে অপেক্ষমান সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার আগেই মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে গেল তা জানাও জরুরী। মেজর রাশেদের হত্যাকাণ্ডের মত সংবেদনশীল ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সিফাতের নিরাপত্তা নিয়ে আমাদের সকলের শঙ্কিত হাওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে ।

লেখাটির ফেইসবুক ভার্সন পড়তে চাইলে এইখানে ক্লিক করুন

Share

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Feeling social? comment with facebook here!

Subscribe to
Newsletter