Women raped during Liberation War faced humiliation after independence

Women raped during the Liberation War were forced to face humiliation at a terrible level. The society in independent Bangladesh refused to accept those women and the rape children- who were born because of rape by the Pakistani soldiers.

Even the leader of the independence Sheikh Mujib issued derogatory statements about the raped women and the rape children. Dr Nilima Ibrahim, who is known as a pro-Awami League intellectual, narrated in her book ‘Ami Birangana Bolchhi’, how Sheikh Mujib humiliated those women and children.

After the independence, Dr Ibrahim sought to know from Sheikh Mujib what he thought about those rape children. Sheikh Mujib said: “They are carrying tainted blood. I do not want them to live on the soil of Bangladesh. Send them out of our country.”

Sheikh Mujib addressed the women, who were raped during the 9-month-war, as ‘mother’ and ‘heroine’. But he made a quite inhuman, immoral and insensitive comment about the children born to the women because of rape by the Pakistani soldiers.

He addressed the raped women as mothers. Afterwards, he said that the rape children were carrying tainted blood. The contrast between these two positions of Sheikh Mujib reflects the moral position and attitude of the society and the state, towards the brave women of the Liberation War.

Click here to read the original Facebook post

মুক্তিযুদ্ধের সময়ে ধর্ষিতা নারীরা স্বাধীন দেশে সবচেয়ে বেশী অপমান আর অসন্মানের শিকার হয়েছেন। স্বাধীন বাংলাদেশের সমাজ তাদের এবং যুদ্ধশিশুদের গ্রহণ করেনি।

এমনকি স্বাধীনতার নেতা শেখ মুজিব নিজেও দুঃখজনকভাবে ধর্ষিতা নারীদের এবং যুদ্ধশিশুদের নিয়ে অসন্মানজনক কথা বলেছেন। আওয়ামী লীগেরই বুদ্ধিজীবি ড. নীলিমা ইব্রাহিম ধর্ষিতা নারীদের নিয়ে তাঁর লেখা বই “আমি বীরাঙ্গনা বলছি”-তে সেই বর্ণনা দিয়েছেন।

ড. ইব্রাহিম স্বাধীনতার পর শেখ মুজিবের কাছে গিয়ে জানতে চান, যুদ্ধশিশুদের ব্যাপারে তিনি কি ভাবছেন? শেখ মুজিব ড. ইব্রাহিমকে বলেন, ‘ওইসব দূষিত রক্ত আমি বাংলার মাটিতে রাখতে চাই না। ওদের বিদেশে পাঠিয়ে দিন’।

মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসে ধর্ষিত নারীদের ‘মা’ আর ‘বীরাঙ্গনা’ বলে সম্বোধন করেছিলো শেখ মুজিব। কিন্তু সেই শেখ মুজিব পাকিস্তানি বাহিনীর ধর্ষণে জন্ম নেয়া যুদ্ধশিশুদের বিষয়ে এমন অমানবিক, অনৈতিক ও অসংবেদনশীল মন্তব্য করেছিলেন। একবার মা ডাকা, আবার আরেকবার তাদের সন্তানদের “দূষিত রক্ত” বলা এই দুই অবস্থানের মধ্যে যে বৈপরীত্য সেটাই বীরাঙ্গনাদের সম্পর্কে সমাজ ও রাষ্ট্রের নৈতিক অবস্থান ও মনোভাবকে ফুটিয়ে তোলে।

লেখাটির ফেইসবুক ভার্সন পড়তে চাইলে এইখানে ক্লিক করুন

Share

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Feeling social? comment with facebook here!

Subscribe to
Newsletter